দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জাতি গঠনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন—প্রতিটি গণতান্ত্রিক সংগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়, এটি রাজনৈতিক চেতনা ও সামাজিক পরিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রও বটে। তবে প্রশ্ন উঠেছে—রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রভাব শিক্ষার মানকে কতটা প্রভাবিত করছে? বর্তমানে দেশে ৫৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর লক্ষাধিক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিক্ষার গুণগত মান, গবেষণার পরিবেশ, সেশনজট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান প্রত্যাশিত নয়। এর পেছনে অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়টিও। বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নতুন নয়। বরং এটি ঐতিহ্যের অংশ। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে এসেছে অনেক জাতীয় নেতা।
এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রাজনৈতিক নেতৃত্ব তৈরির আঁতুড়ঘর হিসেবে পরিচিত। তবে সমস্যা দেখা দেয় তখনই, যখন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সহিংসতা, দলীয়করণ ও প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের রূপ নেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ কিংবা পদোন্নতিতে জ্যেষ্ঠতাক্রম লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক আনুগত্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এর ফলে মেধা ও গবেষণার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষক যদি স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ বা গবেষণা করতে না পারেন, তবে একাডেমিক পরিবেশ সংকুচিত হয়। আবার শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও দলীয় পরিচয় কখনো কখনো হল-সিট, সংগঠন, এমনকি একাডেমিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা সেশনজটের অন্যতম কারণ হিসেবেও চিহ্নিত হয়েছে। ধর্মঘট, অবরোধ বা ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন দীর্ঘায়িত হয়। এতে পরিবার ও রাষ্ট্র উভয়ের আর্থিক ক্ষতি হয়। পাশাপাশি মানসিক চাপও বাড়ে। একটি স্থিতিশীল ও সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য—জ্ঞানচর্চা ও গবেষণা ব্যাহত হয়। অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দেন। কিন্তু রাজনীতি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা কোনো সমাধান নয়। বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মুক্তচিন্তার ক্ষেত্র। এখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, বিতর্ক ও সমালোচনার পরিবেশ থাকা জরুরি। গণতান্ত্রিক চর্চা শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও নাগরিক সচেতনতা গড়ে তোলে। সুতরাং প্রশ্ন হলো—কীভাবে শিক্ষার মান অক্ষুণ্ণ রেখে স্বাস্থ্যকর রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়?
প্রথমত, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগ ও পদোন্নতিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক প্রণীত একটি অভিন্ন নীতিমালা অনুসরণ করা জরুরি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের প্রণীত ভিন্ন ভিন্ন নিজস্ব নীতিমালা অনুসরণ করছে। গবেষণা অনুদান বণ্টনেও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।
দ্বিতীয়ত, ছাত্ররাজনীতিকে সহিংসতামুক্ত ও নীতিনির্ভর করতে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার কঠোরভাবে অনুসরণ করা, যাতে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব না হয়। উন্নত গবেষণাগার,শিক্ষক শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সম্পৃক্তকরণ, ডিজিটাল লাইব্রেরি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা—এসবের মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয়কে কেবল রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র নয়, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে তৈরি করা পবিত্র দায়িত্ব। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রম ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে মানবিক শিক্ষা ও নৈতিকতার চর্চা বাড়ানো প্রয়োজন। শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ককে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে তোলা উচিত। প্রশাসন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা গেলে অনেক সমস্যা আগেই সমাধান সম্ভব। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। এই অগ্রযাত্রায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অপরিসীম। যদি রাজনৈতিক বাস্তবতা শিক্ষার সহায়ক শক্তি হয়ে ওঠে অর্থাৎ নীতিনিষ্ঠ, সহনশীল ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির মাধ্যমে পরিচালিত হয়—তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জাতীয় অগ্রগতির প্রকৃত চালিকাশক্তি হতে পারে।
কিন্তু যদি দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা শিক্ষাঙ্গনকে বিভক্ত ও অস্থিতিশীল করে তোলে, তবে এর ক্ষতি দীর্ঘমেয়াদি ও গভীর হবে। সময়ের দাবি হলো শিক্ষার মান ও রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে একটি ভারসাম্য স্থাপন করা। জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে প্রাধান্য দিয়ে রাজনীতিকে গঠনমূলক ও সহনশীল ধারায় পরিচালিত করতে পারলেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের প্রকৃত মর্যাদা ফিরে পাবে। বিশ্ববিদ্যালয় হোক মুক্তচিন্তার নিরাপদ আশ্রয়, যেখানে রাজনীতি থাকবে মূল্যবোধের আলোয়, আর শিক্ষা থাকবে জাতি গঠনের কেন্দ্রে।
বিষয় : বিশ্ববিদ্যালয়

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জাতি গঠনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন—প্রতিটি গণতান্ত্রিক সংগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়, এটি রাজনৈতিক চেতনা ও সামাজিক পরিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রও বটে। তবে প্রশ্ন উঠেছে—রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রভাব শিক্ষার মানকে কতটা প্রভাবিত করছে? বর্তমানে দেশে ৫৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর লক্ষাধিক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিক্ষার গুণগত মান, গবেষণার পরিবেশ, সেশনজট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান প্রত্যাশিত নয়। এর পেছনে অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়টিও। বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নতুন নয়। বরং এটি ঐতিহ্যের অংশ। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে এসেছে অনেক জাতীয় নেতা।
এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রাজনৈতিক নেতৃত্ব তৈরির আঁতুড়ঘর হিসেবে পরিচিত। তবে সমস্যা দেখা দেয় তখনই, যখন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সহিংসতা, দলীয়করণ ও প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের রূপ নেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ কিংবা পদোন্নতিতে জ্যেষ্ঠতাক্রম লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক আনুগত্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এর ফলে মেধা ও গবেষণার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষক যদি স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ বা গবেষণা করতে না পারেন, তবে একাডেমিক পরিবেশ সংকুচিত হয়। আবার শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও দলীয় পরিচয় কখনো কখনো হল-সিট, সংগঠন, এমনকি একাডেমিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা সেশনজটের অন্যতম কারণ হিসেবেও চিহ্নিত হয়েছে। ধর্মঘট, অবরোধ বা ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন দীর্ঘায়িত হয়। এতে পরিবার ও রাষ্ট্র উভয়ের আর্থিক ক্ষতি হয়। পাশাপাশি মানসিক চাপও বাড়ে। একটি স্থিতিশীল ও সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য—জ্ঞানচর্চা ও গবেষণা ব্যাহত হয়। অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দেন। কিন্তু রাজনীতি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা কোনো সমাধান নয়। বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মুক্তচিন্তার ক্ষেত্র। এখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, বিতর্ক ও সমালোচনার পরিবেশ থাকা জরুরি। গণতান্ত্রিক চর্চা শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও নাগরিক সচেতনতা গড়ে তোলে। সুতরাং প্রশ্ন হলো—কীভাবে শিক্ষার মান অক্ষুণ্ণ রেখে স্বাস্থ্যকর রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়?
প্রথমত, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগ ও পদোন্নতিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক প্রণীত একটি অভিন্ন নীতিমালা অনুসরণ করা জরুরি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের প্রণীত ভিন্ন ভিন্ন নিজস্ব নীতিমালা অনুসরণ করছে। গবেষণা অনুদান বণ্টনেও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।
দ্বিতীয়ত, ছাত্ররাজনীতিকে সহিংসতামুক্ত ও নীতিনির্ভর করতে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার কঠোরভাবে অনুসরণ করা, যাতে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব না হয়। উন্নত গবেষণাগার,শিক্ষক শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সম্পৃক্তকরণ, ডিজিটাল লাইব্রেরি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা—এসবের মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয়কে কেবল রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র নয়, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে তৈরি করা পবিত্র দায়িত্ব। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রম ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে মানবিক শিক্ষা ও নৈতিকতার চর্চা বাড়ানো প্রয়োজন। শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ককে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে তোলা উচিত। প্রশাসন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা গেলে অনেক সমস্যা আগেই সমাধান সম্ভব। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। এই অগ্রযাত্রায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অপরিসীম। যদি রাজনৈতিক বাস্তবতা শিক্ষার সহায়ক শক্তি হয়ে ওঠে অর্থাৎ নীতিনিষ্ঠ, সহনশীল ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির মাধ্যমে পরিচালিত হয়—তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জাতীয় অগ্রগতির প্রকৃত চালিকাশক্তি হতে পারে।
কিন্তু যদি দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা শিক্ষাঙ্গনকে বিভক্ত ও অস্থিতিশীল করে তোলে, তবে এর ক্ষতি দীর্ঘমেয়াদি ও গভীর হবে। সময়ের দাবি হলো শিক্ষার মান ও রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে একটি ভারসাম্য স্থাপন করা। জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে প্রাধান্য দিয়ে রাজনীতিকে গঠনমূলক ও সহনশীল ধারায় পরিচালিত করতে পারলেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের প্রকৃত মর্যাদা ফিরে পাবে। বিশ্ববিদ্যালয় হোক মুক্তচিন্তার নিরাপদ আশ্রয়, যেখানে রাজনীতি থাকবে মূল্যবোধের আলোয়, আর শিক্ষা থাকবে জাতি গঠনের কেন্দ্রে।

আপনার মতামত লিখুন