পরিষেবা আরও সহজ করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা দিয়েছে, আগামী এপ্রিল থেকে স্বতন্ত্র মেসেঞ্জার ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে মেসেঞ্জারের ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশনও বন্ধ হয়ে যাবে। মেটা প্ল্যাটফর্মস ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে এক ঘোষণায় জানিয়েছে, Messenger.com আলাদা মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আর চালু থাকবে না। এর ফলে কম্পিউটার ব্রাউজারে মেসেঞ্জার ব্যবহার করা যাবে না। তবে ব্যবহারকারীরা মূল ফেসবুক ইন্টারফেসের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান করতে পারবেন।
মেটা জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি মোবাইল ও একক প্ল্যাটফর্মে মূল ফোকাস দেওয়ার চেষ্টা করছে। যাতে বার্তা আদান-প্রদানে সব কার্যক্রম এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত করা যায়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেটার নতুন সিদ্ধান্ত মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকীকরণেরই একটি ধারাবাহিক পদক্ষেপ। গত কয়েক বছরে অধিকাংশ ব্যবহারকারী মোবাইল-নির্ভর যোগাযোগে বেশি ঝুঁকেছেন। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে মেটা তাদের সেবাকে আরও সহজ ও সমন্বিত করতে চাচ্ছে।
আরও পড়ুন, ‘ডার্ক ফ্যাক্টরি’ থেকে হিউম্যানয়েড রোবট
কাদের ওপর প্রভাব পড়বে?
নতুন সিদ্ধান্তে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ছাড়া ওয়েবে মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবেন। ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে গেলে, ব্যবহারকারীদের ফেসবুক লগইন করতে হবে। এতে তাদের পূর্ববর্তী চ্যাটও দেখা যাবে। মেটা জানিয়েছে, পিন (PIN) ব্যবহার করে যেকোনো প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী তার চ্যাট ইতিহাস পুনরুদ্ধার বা পুনঃস্থাপন করতে পারবেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পরিষেবা আরও সহজ করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা দিয়েছে, আগামী এপ্রিল থেকে স্বতন্ত্র মেসেঞ্জার ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে মেসেঞ্জারের ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশনও বন্ধ হয়ে যাবে। মেটা প্ল্যাটফর্মস ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে এক ঘোষণায় জানিয়েছে, Messenger.com আলাদা মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আর চালু থাকবে না। এর ফলে কম্পিউটার ব্রাউজারে মেসেঞ্জার ব্যবহার করা যাবে না। তবে ব্যবহারকারীরা মূল ফেসবুক ইন্টারফেসের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান করতে পারবেন।
মেটা জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি মোবাইল ও একক প্ল্যাটফর্মে মূল ফোকাস দেওয়ার চেষ্টা করছে। যাতে বার্তা আদান-প্রদানে সব কার্যক্রম এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত করা যায়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেটার নতুন সিদ্ধান্ত মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকীকরণেরই একটি ধারাবাহিক পদক্ষেপ। গত কয়েক বছরে অধিকাংশ ব্যবহারকারী মোবাইল-নির্ভর যোগাযোগে বেশি ঝুঁকেছেন। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে মেটা তাদের সেবাকে আরও সহজ ও সমন্বিত করতে চাচ্ছে।
আরও পড়ুন, ‘ডার্ক ফ্যাক্টরি’ থেকে হিউম্যানয়েড রোবট
কাদের ওপর প্রভাব পড়বে?
নতুন সিদ্ধান্তে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ছাড়া ওয়েবে মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবেন। ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে গেলে, ব্যবহারকারীদের ফেসবুক লগইন করতে হবে। এতে তাদের পূর্ববর্তী চ্যাটও দেখা যাবে। মেটা জানিয়েছে, পিন (PIN) ব্যবহার করে যেকোনো প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী তার চ্যাট ইতিহাস পুনরুদ্ধার বা পুনঃস্থাপন করতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন