ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নতুন মন্ত্রিসভায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক সচিব জনাব মো. আব্দুল বারী। বুধবার বঙ্গভবনে শপথ গ্রহণ শেষে তাকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়। মাঠ প্রশাসনে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অধিকারী আব্দুল বারী এলাকায় ‘ডিসি বারী’ হিসেবেই সমধিক পরিচিত। সততা ও স্বচ্ছতার জন্য পরিচিত এই সাবেক আমলার মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভুক্তিকে দেশ গঠনে দলীয় চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
সচিব হিসেবে অবসরে যাওয়া মো. আব্দুল বারী তার দীর্ঘ পেশাজীবনে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (প্রশাসন) এবং বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবে সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন।
শপথ গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, "আমি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞ। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করব। মাঠ প্রশাসনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। তবে নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী তার স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং বার্ষিক আয় ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৮৯৭ টাকা।
আরও পড়ুন, প্রায় ১০ বছর ধরে শিকলে বাঁধা ইমরান। অসহায় বৃদ্ধা মায়ের চোখে অশ্রু!
জয়পুরহাট এর বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য ও হুুইপ আবু ইউসুফ মোহাম্মদ খলিলুর রহমান বলেন "আব্দুল বারী একজন সৎ, মেধাবী ও প্রশাসনিক দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তি। তার সুষ্ঠু পরিচালনায় জয়পুরহাট সহ দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আমি আশাবাদী।
জয়পুরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন বলেন, "দীর্ঘদিন পর জয়পুরহাটবাসীর আশা পূরণ হয়েছে। উনার প্রশাসনিক দক্ষতা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে নতুন গতি আনবে।" অন্যদিকে কালাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, "স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে আমরা প্রথম মন্ত্রী পেলাম। উনার হাত ধরে অবহেলিত এই অঞ্চলের উন্নয় হবে। আব্দুল বারীর প্রতিমন্ত্রী হওয়ার খবর পৌঁছালে তার নির্বাচনী এলাকা আক্কেলপুর-কালাই-ক্ষেতলালসহ পুরো জয়পুরহাটে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন মোড়ে মিষ্টি বিতরণ করে।
বিষয় : শপথ

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নতুন মন্ত্রিসভায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক সচিব জনাব মো. আব্দুল বারী। বুধবার বঙ্গভবনে শপথ গ্রহণ শেষে তাকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়। মাঠ প্রশাসনে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অধিকারী আব্দুল বারী এলাকায় ‘ডিসি বারী’ হিসেবেই সমধিক পরিচিত। সততা ও স্বচ্ছতার জন্য পরিচিত এই সাবেক আমলার মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভুক্তিকে দেশ গঠনে দলীয় চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
সচিব হিসেবে অবসরে যাওয়া মো. আব্দুল বারী তার দীর্ঘ পেশাজীবনে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (প্রশাসন) এবং বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবে সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন।
শপথ গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, "আমি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞ। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করব। মাঠ প্রশাসনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। তবে নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী তার স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং বার্ষিক আয় ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৮৯৭ টাকা।
আরও পড়ুন, প্রায় ১০ বছর ধরে শিকলে বাঁধা ইমরান। অসহায় বৃদ্ধা মায়ের চোখে অশ্রু!
জয়পুরহাট এর বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য ও হুুইপ আবু ইউসুফ মোহাম্মদ খলিলুর রহমান বলেন "আব্দুল বারী একজন সৎ, মেধাবী ও প্রশাসনিক দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তি। তার সুষ্ঠু পরিচালনায় জয়পুরহাট সহ দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আমি আশাবাদী।
জয়পুরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন বলেন, "দীর্ঘদিন পর জয়পুরহাটবাসীর আশা পূরণ হয়েছে। উনার প্রশাসনিক দক্ষতা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে নতুন গতি আনবে।" অন্যদিকে কালাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, "স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে আমরা প্রথম মন্ত্রী পেলাম। উনার হাত ধরে অবহেলিত এই অঞ্চলের উন্নয় হবে। আব্দুল বারীর প্রতিমন্ত্রী হওয়ার খবর পৌঁছালে তার নির্বাচনী এলাকা আক্কেলপুর-কালাই-ক্ষেতলালসহ পুরো জয়পুরহাটে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন মোড়ে মিষ্টি বিতরণ করে।

আপনার মতামত লিখুন