মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, চট্টগ্রামের চন্দনাইশ ও সাতকানিয়াসহ অন্তত ৬০টি গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র মাহে রমজানের রোজা পালন শুরু হচ্ছে। সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ মঙ্গলবার বাদ এশা প্রথম তারাবিহ নামাজ আদায়ের মাধ্যমে রোজা পালনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করবেন এসব এলাকার কিছু মানুষ।এতে অংশ নিচ্ছেন চন্দনাইশের শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরিফ ও সাতকানিয়ার মির্জাখিল দরবার শরিফের অনুসারীরা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের চাঁদ দেখার হিসাব অনুসরণ করে রোজা পালন করে আসছেন এবং একইভাবে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন করে থাকেন।
চন্দনাইশ শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরিফের শাহজাদা মতি মিয়া মনছুর বলেন,“আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদ দেখার হিসাব অনুযায়ী রোজা ও ঈদ পালন করে থাকি। সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ রাতে তারাবিহ নামাজ আদায় করা হবে এবং আগামীকাল থেকে রোজা শুরু হবে। আমাদের অনুসারীরা ধর্মীয় বিধান মেনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে রোজা পালন করবেন।”স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন উপজেলায়ও এসব দরবার শরিফের অনুসারীরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা পালন করবেন। এতে করে কিছু এলাকায় স্থানীয় চাঁদ দেখার সঙ্গে এক দিনের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।যেসব এলাকায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও তারাবিহ নামাজ আদায় করা হবে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থানগুলো হলো ।
আরো পড়ুন , শেরপুরে বিদ্যুতের স্পর্শে প্রাণ হারালেন দুইজন
চন্দনাইশের পশ্চিম এলাহাবাদ, কাঞ্চননগর, মাইজপাড়া, জুনিঘোনা, আব্বাসপাড়া, দিঘিরপাড়া, কেন্দুয়ারপাড়া, দক্ষিণ কাঞ্চননগর, সৈয়দাবাদ, হাশিমপুর, কেশুয়া, সাতবাড়িয়া, মোহাম্মদপুর, হারালা, বরকল, চৈধুরীপাড়া, ফকিরপাড়া, পটিয়ার মল্লাপাড়া, হাইদগাঁও, শ্রীমাই, শান্তিরহাট, শিকলবাহা, চরকানাই, বাঁশখালীর জলদি, গন্ডামারা, সনুয়া, আনোয়ারার তৈলার দ্বীপ, বোয়ালখালির চরনদ্বীপ, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ, চুনতি, বরহাতিয়া, পুটিবিলা, সাতকানিয়ার মির্জাখিল, বাংলাবাজার, বাজালিয়া, কাঞ্চনা, রাঙ্গুনিয়ার পদুয়া ও খুরুশিয়া গ্রামসহ চট্টগ্রামের প্রায় ৬০টি গ্রাম।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব এলাকার মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা পালন করলেও সার্বিক ধর্মীয় পরিবেশে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি হয় না। বরং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে শান্তিপূর্ণভাবেই তারাবিহ ও রোজা পালন করা হয়।স্থানীয় মসজিদগুলোতে ইতোমধ্যে তারাবিহ নামাজের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মুসল্লিদের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র মাহে রমজানের প্রথম রাতের তারাবিহ নামাজ আদায়ের করেন। এছাড়াও বরিশাল, পটুয়াখালী, বাউফল, কলাপাড়া এবং রাংগাবালির বিভিন্ন এলাকায় তারাবিহ নামাজ আদায় করা হয়।
বিষয় : পালন চন্দনাইশ মাহে রমজান

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, চট্টগ্রামের চন্দনাইশ ও সাতকানিয়াসহ অন্তত ৬০টি গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র মাহে রমজানের রোজা পালন শুরু হচ্ছে। সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ মঙ্গলবার বাদ এশা প্রথম তারাবিহ নামাজ আদায়ের মাধ্যমে রোজা পালনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করবেন এসব এলাকার কিছু মানুষ।এতে অংশ নিচ্ছেন চন্দনাইশের শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরিফ ও সাতকানিয়ার মির্জাখিল দরবার শরিফের অনুসারীরা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের চাঁদ দেখার হিসাব অনুসরণ করে রোজা পালন করে আসছেন এবং একইভাবে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন করে থাকেন।
চন্দনাইশ শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরিফের শাহজাদা মতি মিয়া মনছুর বলেন,“আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদ দেখার হিসাব অনুযায়ী রোজা ও ঈদ পালন করে থাকি। সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ রাতে তারাবিহ নামাজ আদায় করা হবে এবং আগামীকাল থেকে রোজা শুরু হবে। আমাদের অনুসারীরা ধর্মীয় বিধান মেনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে রোজা পালন করবেন।”স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন উপজেলায়ও এসব দরবার শরিফের অনুসারীরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা পালন করবেন। এতে করে কিছু এলাকায় স্থানীয় চাঁদ দেখার সঙ্গে এক দিনের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।যেসব এলাকায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও তারাবিহ নামাজ আদায় করা হবে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থানগুলো হলো ।
আরো পড়ুন , শেরপুরে বিদ্যুতের স্পর্শে প্রাণ হারালেন দুইজন
চন্দনাইশের পশ্চিম এলাহাবাদ, কাঞ্চননগর, মাইজপাড়া, জুনিঘোনা, আব্বাসপাড়া, দিঘিরপাড়া, কেন্দুয়ারপাড়া, দক্ষিণ কাঞ্চননগর, সৈয়দাবাদ, হাশিমপুর, কেশুয়া, সাতবাড়িয়া, মোহাম্মদপুর, হারালা, বরকল, চৈধুরীপাড়া, ফকিরপাড়া, পটিয়ার মল্লাপাড়া, হাইদগাঁও, শ্রীমাই, শান্তিরহাট, শিকলবাহা, চরকানাই, বাঁশখালীর জলদি, গন্ডামারা, সনুয়া, আনোয়ারার তৈলার দ্বীপ, বোয়ালখালির চরনদ্বীপ, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ, চুনতি, বরহাতিয়া, পুটিবিলা, সাতকানিয়ার মির্জাখিল, বাংলাবাজার, বাজালিয়া, কাঞ্চনা, রাঙ্গুনিয়ার পদুয়া ও খুরুশিয়া গ্রামসহ চট্টগ্রামের প্রায় ৬০টি গ্রাম।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব এলাকার মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা পালন করলেও সার্বিক ধর্মীয় পরিবেশে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি হয় না। বরং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে শান্তিপূর্ণভাবেই তারাবিহ ও রোজা পালন করা হয়।স্থানীয় মসজিদগুলোতে ইতোমধ্যে তারাবিহ নামাজের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মুসল্লিদের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র মাহে রমজানের প্রথম রাতের তারাবিহ নামাজ আদায়ের করেন। এছাড়াও বরিশাল, পটুয়াখালী, বাউফল, কলাপাড়া এবং রাংগাবালির বিভিন্ন এলাকায় তারাবিহ নামাজ আদায় করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন