রাজধানীর ধানমন্ডিতে আফরোজা বেগম এবং তার গৃহকর্মী দিতি হত্যা মামলার আসামি সুরভী আক্তার নাহিদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তাওহীদা আক্তার এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহফুজ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাচ্চু মিয়া নামের এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর রাতে ধানমন্ডির ২৮ নম্বর (নতুন ১৫) রোডে ‘লোবেলিয়া হাউজ’ নামের একটি ভবনের পঞ্চম তলা থেকে টিমটেক্স গ্রুপের এমডি ও ক্রিয়েটিভ গ্রুপের ডিএমডি কাজী মনির উদ্দিন তারিমের শাশুড়ি আফরোজা বেগম (৬৫) এবং তার গৃহকর্মী দিতির (১৮) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। তাদের দুজনকেই গলা কেটে হত্যা করা হয়। আফরোজা যে ফ্ল্যাটে থাকতেন, আর তার উল্টো দিকের ফ্ল্যাট এবং তার ঠিক উপরে ছয়তলার ফ্ল্যাট নিয়ে ডুপ্লেক্সে বাসায় স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকতেন তার মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবা।
এ ঘটনার পরে ২০১৯ সালের ৩ নভেম্বর বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন দিলরুবা সুলতানা রুবা। মামলার পরে ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সিএমএম আদালতে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান।
বিষয় : ধানমন্ডি মৃত্যুদণ্ড রায়

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর ধানমন্ডিতে আফরোজা বেগম এবং তার গৃহকর্মী দিতি হত্যা মামলার আসামি সুরভী আক্তার নাহিদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তাওহীদা আক্তার এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহফুজ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাচ্চু মিয়া নামের এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর রাতে ধানমন্ডির ২৮ নম্বর (নতুন ১৫) রোডে ‘লোবেলিয়া হাউজ’ নামের একটি ভবনের পঞ্চম তলা থেকে টিমটেক্স গ্রুপের এমডি ও ক্রিয়েটিভ গ্রুপের ডিএমডি কাজী মনির উদ্দিন তারিমের শাশুড়ি আফরোজা বেগম (৬৫) এবং তার গৃহকর্মী দিতির (১৮) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। তাদের দুজনকেই গলা কেটে হত্যা করা হয়। আফরোজা যে ফ্ল্যাটে থাকতেন, আর তার উল্টো দিকের ফ্ল্যাট এবং তার ঠিক উপরে ছয়তলার ফ্ল্যাট নিয়ে ডুপ্লেক্সে বাসায় স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকতেন তার মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবা।
এ ঘটনার পরে ২০১৯ সালের ৩ নভেম্বর বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন দিলরুবা সুলতানা রুবা। মামলার পরে ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সিএমএম আদালতে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন