জুলাই আন্দোলনে রাজপথে সরব উপস্থিতি ছিল অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের। তিনি বরাবরই নাগরিক অধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলে আসছেন। এবার জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। অভিনেত্রী বলেন, তিনি একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যক্ষ করছেন।
আজমেরী হক বাঁধন জানান, তিনি ঢাকা-১৬ আসনের ভোটার এবং মা–বাবাকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিয়েছেন। তার ভাষায়, ‘আমি একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখছি। এভাবেই একটি গণতান্ত্রিক সরকার নির্বাচিত হয়ে দেশ গঠনে কাজ করবে। সব ধর্ম-বর্ণের জন্য একটি নিরাপদ দেশ হবে সেটাই প্রত্যাশা। আগামীর বাংলাদেশ একটি সাম্যের দেশ হবে এখানে সবাই তাদের অধিকার বুঝে পাবে।’ তিনি মনে করেন, পরিবর্তনের পথ তৈরি হয় মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এবং ভোট সেই অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বাঁধনের মতে, কোনো ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ ছাড়া একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হলে গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের জন্য কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে।
আরও পড়ুন, ভোট দিলাম কিসে? ইফফাত আরা তিথির মজার ক্যাপশন ভাইরাল
নির্বাচনের পর সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উন্নয়নেও নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বাঁধন বলেন, তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন যারা দেশের শিল্প ও বিনোদন শিল্প নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি শিল্পীদের পেশাগত স্বীকৃতি রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করার দাবিও জানান তিনি। তার মতে, সামাজিকভাবে এই পেশাকে খুব একটা ভালোভাবে দেখা হয় না। পেশার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থাকলে ভালো হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জুলাই আন্দোলনে রাজপথে সরব উপস্থিতি ছিল অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের। তিনি বরাবরই নাগরিক অধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলে আসছেন। এবার জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। অভিনেত্রী বলেন, তিনি একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যক্ষ করছেন।
আজমেরী হক বাঁধন জানান, তিনি ঢাকা-১৬ আসনের ভোটার এবং মা–বাবাকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিয়েছেন। তার ভাষায়, ‘আমি একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখছি। এভাবেই একটি গণতান্ত্রিক সরকার নির্বাচিত হয়ে দেশ গঠনে কাজ করবে। সব ধর্ম-বর্ণের জন্য একটি নিরাপদ দেশ হবে সেটাই প্রত্যাশা। আগামীর বাংলাদেশ একটি সাম্যের দেশ হবে এখানে সবাই তাদের অধিকার বুঝে পাবে।’ তিনি মনে করেন, পরিবর্তনের পথ তৈরি হয় মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এবং ভোট সেই অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বাঁধনের মতে, কোনো ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ ছাড়া একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হলে গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের জন্য কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে।
আরও পড়ুন, ভোট দিলাম কিসে? ইফফাত আরা তিথির মজার ক্যাপশন ভাইরাল
নির্বাচনের পর সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উন্নয়নেও নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বাঁধন বলেন, তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন যারা দেশের শিল্প ও বিনোদন শিল্প নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি শিল্পীদের পেশাগত স্বীকৃতি রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করার দাবিও জানান তিনি। তার মতে, সামাজিকভাবে এই পেশাকে খুব একটা ভালোভাবে দেখা হয় না। পেশার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থাকলে ভালো হবে।

আপনার মতামত লিখুন