বগুড়ায় বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুরু হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার, বিশেষ করে নারীদের উপস্থিতি বাড়ছে। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকায় পরিবেশ শান্ত রয়েছে। বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি রেজাউল করিম বাদশা শহরের হাসনা জাহান (ভান্ডারী) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
একই সময় এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী, শহর শাখার আমির আবিদুর রহমান সোহেল শহরের সেউজগাড়ী জামতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন। এছাড়া অন্যান্য প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকার কেন্দ্রে শুরুতেই ভোট দিয়েছেন।বগুড়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সরকারি মুস্তাফাবিয়া আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, নারীদের মোটামুটি দীর্ঘ লাইন। পুরুষ ভোটারদের লাইন তেমন নেই। প্রশাসনের সুব্যবস্থাপনায় সবাই ভোট দিচ্ছেন।
আরো পড়ুন , চট্টগ্রাম-৫, কুলগাঁও কেন্দ্রে আড়াই ঘণ্টায় মাত্র ২.৬২% ভোট
কথা হয় ষাটোর্ধ্ব মজিরন বিবির সঙ্গে। ভোট দিয়ে কেমন লাগছে—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অনেকদিন পর ভোট দিতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। এবারে কেন্দ্রে আসতে কোনো ভয় লাগেনি। প্রার্থীদের দেওয়া রিকশায় সুলতানগঞ্জপাড়ার বাড়ি থেকে কেন্দ্রে এসেছেন। কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্বে থাকা মেহেদী হাসান জানান, অনেক শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। নারীদের উপস্থিতি সন্তোষজনক। তবে বেলা বাড়লে ভোটার সংখ্যা আরও বেড়ে যাবে।
শহরের হাসনা জাহান (ভান্ডারী) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটদানের পর প্রতিক্রিয়ায় জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা জানান, ভোটের অধিকার ফিরে পেতে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম করতে হয়েছে। অনেকে গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন। এরপর দীর্ঘ ১৭ বছর পর আগস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে আমরা ভোটাধিকার ফেরত পেয়েছি। ভোট ফেরত দেওয়ায় তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। জনগণ যেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, কিছু কেন্দ্রে একটি গোষ্ঠীর কিছু অনিয়ম দেখেছি, যা কখনও কাম্য নয়। রেজাউল করিম বাদশা আশা করেন, ভোটে কোনো অনিয়ম হবে না। আমরা অতীতে সদর আসনে চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দুই লক্ষাধিক ভোটে বিজয়ী করেছি। এবার চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অনেক বেশি ভোটে নির্বাচিত করব, ইনশাআল্লাহ।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বগুড়ায় বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুরু হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার, বিশেষ করে নারীদের উপস্থিতি বাড়ছে। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকায় পরিবেশ শান্ত রয়েছে। বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি রেজাউল করিম বাদশা শহরের হাসনা জাহান (ভান্ডারী) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
একই সময় এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী, শহর শাখার আমির আবিদুর রহমান সোহেল শহরের সেউজগাড়ী জামতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন। এছাড়া অন্যান্য প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকার কেন্দ্রে শুরুতেই ভোট দিয়েছেন।বগুড়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সরকারি মুস্তাফাবিয়া আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, নারীদের মোটামুটি দীর্ঘ লাইন। পুরুষ ভোটারদের লাইন তেমন নেই। প্রশাসনের সুব্যবস্থাপনায় সবাই ভোট দিচ্ছেন।
আরো পড়ুন , চট্টগ্রাম-৫, কুলগাঁও কেন্দ্রে আড়াই ঘণ্টায় মাত্র ২.৬২% ভোট
কথা হয় ষাটোর্ধ্ব মজিরন বিবির সঙ্গে। ভোট দিয়ে কেমন লাগছে—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অনেকদিন পর ভোট দিতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। এবারে কেন্দ্রে আসতে কোনো ভয় লাগেনি। প্রার্থীদের দেওয়া রিকশায় সুলতানগঞ্জপাড়ার বাড়ি থেকে কেন্দ্রে এসেছেন। কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্বে থাকা মেহেদী হাসান জানান, অনেক শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। নারীদের উপস্থিতি সন্তোষজনক। তবে বেলা বাড়লে ভোটার সংখ্যা আরও বেড়ে যাবে।
শহরের হাসনা জাহান (ভান্ডারী) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটদানের পর প্রতিক্রিয়ায় জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা জানান, ভোটের অধিকার ফিরে পেতে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম করতে হয়েছে। অনেকে গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন। এরপর দীর্ঘ ১৭ বছর পর আগস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে আমরা ভোটাধিকার ফেরত পেয়েছি। ভোট ফেরত দেওয়ায় তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। জনগণ যেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, কিছু কেন্দ্রে একটি গোষ্ঠীর কিছু অনিয়ম দেখেছি, যা কখনও কাম্য নয়। রেজাউল করিম বাদশা আশা করেন, ভোটে কোনো অনিয়ম হবে না। আমরা অতীতে সদর আসনে চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দুই লক্ষাধিক ভোটে বিজয়ী করেছি। এবার চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অনেক বেশি ভোটে নির্বাচিত করব, ইনশাআল্লাহ।

আপনার মতামত লিখুন