রাজধানীর রূপনগর এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা জোরদারে ব্যাপক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে রূপনগর থানা পুলিশ। গতকাল ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুরুল হাসান মাসুদের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলার তদন্তে প্রাপ্ত ২ জন আসামিসহ পৃথক পৃথক অপরাধে মোট ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। টানা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারির ভিত্তিতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। রূপনগর থানার মামলা নং- ০২, তারিখ ০৬/০২/২০২৬ খ্রি., ধারা- ৩৮০ (চুরি) মূলে তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মোঃ কিতাব আলী (৫৫)মোঃ খায়রুল ইসলাম (৩৬), তাদেরকে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, এই গ্রেফতারের মাধ্যমে সাম্প্রতিক চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
একই দিনে থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে আরও ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন,রমজান (১৯), তাপস টপ্য (১৯), মারকুস (১৯), বন্ধন (১৮), প্রীতম এক্কা (২০), সালেহিন একরাম অন্তুর (২৪), মোঃ আল মাহমুদ জিহাদ (২৪), মোঃ সুজন (২৫), মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (২৮), মোঃ শরিফুল হক (২৮), মোঃ অহিদুল সরকার (২৫), মোঃ আনিছ (২৭) ও মোঃ বাবুল (২৮)।তাদের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশ অধ্যাদেশ আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, মিরপুর বিভাগ, ডিএমপি, ঢাকা বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, গংগাচড়ায় ইসলামি ছাত্রশিবিরের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, রূপনগর এলাকায় অপরাধপ্রবণ কিছু স্পট চিহ্নিত করে নিয়মিত টহল ও গোপন নজরদারি চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে রাত্রীকালীন সময়ে পুলিশি উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। অপরাধ দমনে টার্গেটভিত্তিক অভিযান, দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়া এবং স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা,এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে কার্যকর হলে স্থায়ী সমাধান সম্ভব। অফিসার ইনচার্জ মনজুরুল হাসান মাসুদ বলেন, রূপনগর এলাকায় কোনো ধরনের অপরাধ সহ্য করা হবে না। নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যেই হোক, আইনের আওতায় আনা হবে। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের দৃশ্যমান তৎপরতা বেড়েছে। নিয়মিত টহল ও অভিযানের কারণে অপরাধীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসছে। একজন ব্যবসায়ী বলেন, রাতে পুলিশি টহল বাড়ায় এখন আগের তুলনায় নিরাপদ মনে হয়।রূপনগর থানা পুলিশের এই অভিযান স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, অপরাধ করলে রেহাই নেই। তদন্তনির্ভর ও পরিকল্পিত অভিযানের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বদ্ধপরিকর বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন
বিষয় : আটক জননিরাপত্তা অভিযান

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর রূপনগর এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা জোরদারে ব্যাপক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে রূপনগর থানা পুলিশ। গতকাল ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুরুল হাসান মাসুদের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলার তদন্তে প্রাপ্ত ২ জন আসামিসহ পৃথক পৃথক অপরাধে মোট ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। টানা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারির ভিত্তিতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। রূপনগর থানার মামলা নং- ০২, তারিখ ০৬/০২/২০২৬ খ্রি., ধারা- ৩৮০ (চুরি) মূলে তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মোঃ কিতাব আলী (৫৫)মোঃ খায়রুল ইসলাম (৩৬), তাদেরকে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, এই গ্রেফতারের মাধ্যমে সাম্প্রতিক চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
একই দিনে থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে আরও ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন,রমজান (১৯), তাপস টপ্য (১৯), মারকুস (১৯), বন্ধন (১৮), প্রীতম এক্কা (২০), সালেহিন একরাম অন্তুর (২৪), মোঃ আল মাহমুদ জিহাদ (২৪), মোঃ সুজন (২৫), মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (২৮), মোঃ শরিফুল হক (২৮), মোঃ অহিদুল সরকার (২৫), মোঃ আনিছ (২৭) ও মোঃ বাবুল (২৮)।তাদের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশ অধ্যাদেশ আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, মিরপুর বিভাগ, ডিএমপি, ঢাকা বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, গংগাচড়ায় ইসলামি ছাত্রশিবিরের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, রূপনগর এলাকায় অপরাধপ্রবণ কিছু স্পট চিহ্নিত করে নিয়মিত টহল ও গোপন নজরদারি চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে রাত্রীকালীন সময়ে পুলিশি উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। অপরাধ দমনে টার্গেটভিত্তিক অভিযান, দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়া এবং স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা,এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে কার্যকর হলে স্থায়ী সমাধান সম্ভব। অফিসার ইনচার্জ মনজুরুল হাসান মাসুদ বলেন, রূপনগর এলাকায় কোনো ধরনের অপরাধ সহ্য করা হবে না। নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যেই হোক, আইনের আওতায় আনা হবে। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের দৃশ্যমান তৎপরতা বেড়েছে। নিয়মিত টহল ও অভিযানের কারণে অপরাধীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসছে। একজন ব্যবসায়ী বলেন, রাতে পুলিশি টহল বাড়ায় এখন আগের তুলনায় নিরাপদ মনে হয়।রূপনগর থানা পুলিশের এই অভিযান স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, অপরাধ করলে রেহাই নেই। তদন্তনির্ভর ও পরিকল্পিত অভিযানের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বদ্ধপরিকর বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন

আপনার মতামত লিখুন