সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২ এবং সিপিসি-২ নীলফামারী, র্যাব-১৩ এর যৌথ অভিযানে বগুড়া সদর থানার ধর্ষণ মামলার ১নং এজাহার নামীয় পলাতক আসামী মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩) কে পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার ভুল্লিপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার।
এরই ধারাবাহিকতায় মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম ১৯ বছর বয়সের ছাত্রী। ভিকটিমের বাড়ী বগুড়া আদমদিঘী উপজেলা ছাতুয়া গ্রামে। সে বগুড়ায় পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজে অধ্যায়নরত ছিল। মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩), পিতা মোঃ দবিরুল ইসলাম, সাং-ভুল্লি পাড়া, থানা-বোদা, জেলা-পঞ্চগড়, বিটাক এর কারিগরী কোর্স-এ অধ্যায়নের জন্য, বগুড়া শহরে অবস্থান করার কারণে ভিকটিমের মধ্যে ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে। মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩) ভিকটিমকে দৈহিক মেলামেশা করার প্রস্তাব দেয়।
কিন্তু ভিকটিম প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় গত ৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩), ভিকটিমকে নিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার রাসেল পার্কে ঘুরতে নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ভিকটিমকে ধর্ষণ করার কূ-উদ্দেশ্যে মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩) এর ভাড়া বাসায় নিয়ে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক রাতভর ধর্ষণ করে।
আরও পড়ুন, ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ
পরবর্তীতে ভিকটিম বাদী হয়ে, বগুড়া সদর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৭ তারিখ ০২/০২/২০২৬ জিআর নং-৮৬ /২৬, ধারা- ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ এর ৯(১)। সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২ গোপন সংবাদের ভিক্তিতে জানতে পারে যে, উক্ত মামলার ১ নং এজাহার নামীয় পলাতক আসামী মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩) গ্রেফতার থেকে এড়াতে পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার ভুল্লিপাড়া এলাকায় অবস্থান করছে।
আরও পড়ুন, দুপচাঁচিয়ায় মৎস্য আড়ৎ ব্যবসায়ীদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ আহত ৪ জন
উক্ত তথ্যের ভিক্তিতে র্যাব-১২, অধিনায়ক মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারী), সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২ এবং সিপিসি-২ নীলফামারী র্যাব-১৩ এর যৌথ আভিযানিক দল পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার ভুল্লিপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার ১নং এজাহার নামীয় পলাতক আসামী মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩), পিতা মোঃ দবিরুল ইসলাম, সাং-ভুল্লি পাড়া, থানা-বোদা, জেলা-পঞ্চগড়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২ এবং সিপিসি-২ নীলফামারী, র্যাব-১৩ এর যৌথ অভিযানে বগুড়া সদর থানার ধর্ষণ মামলার ১নং এজাহার নামীয় পলাতক আসামী মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩) কে পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার ভুল্লিপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার।
এরই ধারাবাহিকতায় মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম ১৯ বছর বয়সের ছাত্রী। ভিকটিমের বাড়ী বগুড়া আদমদিঘী উপজেলা ছাতুয়া গ্রামে। সে বগুড়ায় পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজে অধ্যায়নরত ছিল। মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩), পিতা মোঃ দবিরুল ইসলাম, সাং-ভুল্লি পাড়া, থানা-বোদা, জেলা-পঞ্চগড়, বিটাক এর কারিগরী কোর্স-এ অধ্যায়নের জন্য, বগুড়া শহরে অবস্থান করার কারণে ভিকটিমের মধ্যে ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে। মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩) ভিকটিমকে দৈহিক মেলামেশা করার প্রস্তাব দেয়।
কিন্তু ভিকটিম প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় গত ৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩), ভিকটিমকে নিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার রাসেল পার্কে ঘুরতে নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ভিকটিমকে ধর্ষণ করার কূ-উদ্দেশ্যে মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩) এর ভাড়া বাসায় নিয়ে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক রাতভর ধর্ষণ করে।
আরও পড়ুন, ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ
পরবর্তীতে ভিকটিম বাদী হয়ে, বগুড়া সদর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৭ তারিখ ০২/০২/২০২৬ জিআর নং-৮৬ /২৬, ধারা- ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ এর ৯(১)। সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২ গোপন সংবাদের ভিক্তিতে জানতে পারে যে, উক্ত মামলার ১ নং এজাহার নামীয় পলাতক আসামী মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩) গ্রেফতার থেকে এড়াতে পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার ভুল্লিপাড়া এলাকায় অবস্থান করছে।
আরও পড়ুন, দুপচাঁচিয়ায় মৎস্য আড়ৎ ব্যবসায়ীদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ আহত ৪ জন
উক্ত তথ্যের ভিক্তিতে র্যাব-১২, অধিনায়ক মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারী), সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২ এবং সিপিসি-২ নীলফামারী র্যাব-১৩ এর যৌথ আভিযানিক দল পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার ভুল্লিপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার ১নং এজাহার নামীয় পলাতক আসামী মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩), পিতা মোঃ দবিরুল ইসলাম, সাং-ভুল্লি পাড়া, থানা-বোদা, জেলা-পঞ্চগড়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন