আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ঢাকার ধামরাই উপজেলায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে যৌথ বাহিনী। বিশেষ করে উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে আজ দিনভর সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি এবং র্যাবের সমন্বয়ে এক বিশাল মহড়া ও টহল প্রদর্শিত হয়েছে।
রণকৌশলী মহড়ায় নজরদারি
শনিবার সকালে ধামরাই পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে ইউনিয়নের দুর্গম এলাকাগুলোতে যৌথ বাহিনীর এই মহড়া চলে। মহড়ার মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচনের দিন যেকোনো ধরনের সহিংসতা, কেন্দ্র দখল বা ভোট জালিয়াতি রোধে বাহিনীর দ্রুত সাড়া প্রদানের সক্ষমতা যাচাই করা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ধামরাইয়ের ১৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ১৪৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ১৩টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে মোতায়েন থাকবে বাড়তি সশস্ত্র সদস্য এবং সার্বক্ষণিক ড্রোন নজরদারি।
সাধারণ ভোটারদের আস্থা অর্জন মহড়া চলাকালীন যৌথ বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন এবং নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানান। বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় কুইক রেসপন্স টিম ধামরাইয়ের প্রতিটি পয়েন্টে দ্রুত পৌঁছানোর জন্য সেনাবাহিনীর স্পেশাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলার প্রবেশপথ গুলোতে নিয়মিত চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে যাতে কোনো বহিরাগত বা অবৈধ অস্ত্রধারী এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রিজাইটিং অফিসার ও দায়িত্বরত সদস্যদের কাছে বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকবে, যা সরাসরি মনিটরিং করা হবে।
আরও পড়ুন, ধামইরহাটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, মোটরসাইকেল-পিকআপের সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
ধামরাই উপজেলা প্রশাসন মোঃ রিদওয়ান আহমেদ রাফি ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যৌথ বাহিনী মাঠ পর্যায়ে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের মহড়া সাধারণ ভোটারদের মনে সাহসের সঞ্চার করেছে এবং বিশৃঙ্খলাকারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। দুপুর নাগাদ আফাজ উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ এলাকায় মহড়া শেষ করে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা নিজ নিজ ক্যাম্পে ফিরে যান। তবে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত এই টহল ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
বিষয় : প্রস্তুতি ঝুঁকিপূর্ণ ধামরাই

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ঢাকার ধামরাই উপজেলায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে যৌথ বাহিনী। বিশেষ করে উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে আজ দিনভর সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি এবং র্যাবের সমন্বয়ে এক বিশাল মহড়া ও টহল প্রদর্শিত হয়েছে।
রণকৌশলী মহড়ায় নজরদারি
শনিবার সকালে ধামরাই পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে ইউনিয়নের দুর্গম এলাকাগুলোতে যৌথ বাহিনীর এই মহড়া চলে। মহড়ার মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচনের দিন যেকোনো ধরনের সহিংসতা, কেন্দ্র দখল বা ভোট জালিয়াতি রোধে বাহিনীর দ্রুত সাড়া প্রদানের সক্ষমতা যাচাই করা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ধামরাইয়ের ১৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ১৪৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ১৩টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে মোতায়েন থাকবে বাড়তি সশস্ত্র সদস্য এবং সার্বক্ষণিক ড্রোন নজরদারি।
সাধারণ ভোটারদের আস্থা অর্জন মহড়া চলাকালীন যৌথ বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন এবং নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানান। বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় কুইক রেসপন্স টিম ধামরাইয়ের প্রতিটি পয়েন্টে দ্রুত পৌঁছানোর জন্য সেনাবাহিনীর স্পেশাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলার প্রবেশপথ গুলোতে নিয়মিত চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে যাতে কোনো বহিরাগত বা অবৈধ অস্ত্রধারী এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রিজাইটিং অফিসার ও দায়িত্বরত সদস্যদের কাছে বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকবে, যা সরাসরি মনিটরিং করা হবে।
আরও পড়ুন, ধামইরহাটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, মোটরসাইকেল-পিকআপের সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
ধামরাই উপজেলা প্রশাসন মোঃ রিদওয়ান আহমেদ রাফি ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যৌথ বাহিনী মাঠ পর্যায়ে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের মহড়া সাধারণ ভোটারদের মনে সাহসের সঞ্চার করেছে এবং বিশৃঙ্খলাকারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। দুপুর নাগাদ আফাজ উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ এলাকায় মহড়া শেষ করে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা নিজ নিজ ক্যাম্পে ফিরে যান। তবে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত এই টহল ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন