পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই-এর কারাবন্দী নেতা ইমরান খানের চোখের চিকিৎসা করানো হয়েছে। চিকিৎসার পর তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। মঙ্গলবার তার স্ত্রী বুশরা বিবি-এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গোহর খান। গত সপ্তাহে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এ ইমরানের চোখে অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখনো চিকিৎসা চলছে। ডাক্তারদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, চিকিৎসা না করলে দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি ছিল। ইমরান খান চোখে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে দ্রুত অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়।
ইমরান খানের পরিবারের সদস্যদের জেলের ভেতরে সাক্ষাৎ করার অনুমতি মেলার পর এই তথ্য প্রকাশ করেন গোহর খান। তিনি জানান, সাক্ষাৎকালে শুধু বুশরা বিবি উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কোনো রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। তাদের প্রতি অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গোহর খান। তিনি বলেন, জেলের মধ্যে সভায় রাজনৈতিক আলোচনার ওপর লিখিত কোনো বিধিনিষেধ নেই। সব দলের জন্য সমান আইন থাকা উচিত। এক দলের জন্য এক আইন এবং অন্য দলের জন্য আরেক আইন হতে পারে না।
আরও পড়ুন, যুক্তরাষ্ট্রে এপস্টিন তদন্ত: ক্লিনটন দম্পতির সাক্ষ্যে সম্মতি
ব্যারিস্টার গোহর পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে না দেওয়ার ঘটনাকে দুঃখজনক বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জেলখানার সাক্ষাৎ-কে রাজনীতিকরণ করা উচিত নয়। এছাড়া ইমরান খান তার দল ও আইনজীবীদের জন্য একটি বার্তাও পাঠিয়েছেন, যা তিনি দলের কাছে পৌঁছে দেবেন বলেও জানান পিটিআই চেয়ারম্যান।
বিষয় : চিকিৎসা

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই-এর কারাবন্দী নেতা ইমরান খানের চোখের চিকিৎসা করানো হয়েছে। চিকিৎসার পর তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। মঙ্গলবার তার স্ত্রী বুশরা বিবি-এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গোহর খান। গত সপ্তাহে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এ ইমরানের চোখে অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখনো চিকিৎসা চলছে। ডাক্তারদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, চিকিৎসা না করলে দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি ছিল। ইমরান খান চোখে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে দ্রুত অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়।
ইমরান খানের পরিবারের সদস্যদের জেলের ভেতরে সাক্ষাৎ করার অনুমতি মেলার পর এই তথ্য প্রকাশ করেন গোহর খান। তিনি জানান, সাক্ষাৎকালে শুধু বুশরা বিবি উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কোনো রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। তাদের প্রতি অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গোহর খান। তিনি বলেন, জেলের মধ্যে সভায় রাজনৈতিক আলোচনার ওপর লিখিত কোনো বিধিনিষেধ নেই। সব দলের জন্য সমান আইন থাকা উচিত। এক দলের জন্য এক আইন এবং অন্য দলের জন্য আরেক আইন হতে পারে না।
আরও পড়ুন, যুক্তরাষ্ট্রে এপস্টিন তদন্ত: ক্লিনটন দম্পতির সাক্ষ্যে সম্মতি
ব্যারিস্টার গোহর পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে না দেওয়ার ঘটনাকে দুঃখজনক বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জেলখানার সাক্ষাৎ-কে রাজনীতিকরণ করা উচিত নয়। এছাড়া ইমরান খান তার দল ও আইনজীবীদের জন্য একটি বার্তাও পাঠিয়েছেন, যা তিনি দলের কাছে পৌঁছে দেবেন বলেও জানান পিটিআই চেয়ারম্যান।

আপনার মতামত লিখুন