বরফে ঢাকা ছোট্ট এক শহর। জনসংখ্যা মাত্র ১ হাজার ৮৯০। অপরাধ নেই বললেই চলে। মানুষজন হাসিমুখে কথা বলে। দোকানে চলছে স্বাভাবিক কেনাকাটা। স্থানীয় মেয়রও বেশ বন্ধুবৎসল। এমন শহরে নতুন শেরিফের কাজই বা কী?কাগজপত্রে সই করা। ছোটখাটো ঝামেলা মেটানো। আর ছয় সপ্তাহের দায়িত্ব শেষ করে অন্য শহরে চলে যাওয়া। অন্তত উলিসিস রিচার্ডসনের পরিকল্পনা ছিল এমনই।কিন্তু শহরের নাম নরমাল হলেও এখানকার কিছুই স্বাভাবিক নয়। শান্ত শহরের মুখোশের নিচে লুকিয়ে আছে লোভ। অস্ত্র। সহিংসতা। দুর্নীতি এবং নানা গোপন হিসাব-নিকাশ।বেন হুইটলির পরিচালনায় অ্যাকশন-কমেডি সিনেমা নরমালে এই শেরিফ চরিত্রে অভিনয় করেছেন বব ওডেনকার্ক। শহরে আসার পরই উলিসিসের সন্দেহ বাড়তে থাকে। সদ্য মারা যাওয়া আগের শেরিফের মৃত্যু রহস্যজনক। তাঁর বাড়ি অস্বাভাবিক বড়। পুলিশ বিভাগের অস্ত্রভান্ডারও ছোট শহরের তুলনায় অবিশ্বাস্য রকমের বিশাল।এর মধ্যেই শহরের ব্যাংকে ডাকাতি করতে আসে দুই অপরাধী। সাধারণ ব্যাংক ডাকাতির ঘটনা মুহূর্তেই রূপ নেয় ভয়ংকর বন্দুকযুদ্ধে। একে একে শহরের মানুষ।
আড়ও পড়ুন,কঙ্গোতে স্কুলে আগুনে ২৪ শিশুর মৃত্যু
পুলিশ এবং মেয়রও জড়িয়ে পড়েন সেই সংঘাতে।বব ওডেনকার্কের অভিনয়ই সিনেমাটির অন্যতম বড় আকর্ষণ। ক্লান্ত এবং নির্লিপ্ত এক শেরিফ পরিস্থিতির চাপে যখন একের পর এক সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েন তখন গম্ভীর মুখের সঙ্গে ভয়াবহ অ্যাকশনের বৈপরীত্য তৈরি করে হাস্যরস।নরমাল শুধু অ্যাকশন কিংবা কমেডি নয়। ছোট শহরের আমেরিকান জীবনের নানা অসংগতিও ব্যঙ্গ করেছে সিনেমাটি। অস্ত্রের প্রতি আসক্তি। সামাজিক বিভাজন। অর্থনৈতিক স্থবিরতা এবং রাজনৈতিক মেরুকরণ উঠে এসেছে গল্পে।বরফে ঢাকা শহর আর অস্বাভাবিক চরিত্রের কারণে সিনেমাটি অনেকটা ফার্গোর কথা মনে করিয়ে দেয়। আবার অ্যাকশনের ধরনে রয়েছে জন উইক ও নোবডির ছায়াও।তবে ৯০ মিনিটের সিনেমায় অনেক চরিত্র ও গল্প থাকায় সবগুলো যথেষ্ট বিকশিত হয়নি। কিছু চমকও আগে থেকেই অনুমান করা যায়।তারপরও ডার্ক কমেডি। রোমাঞ্চ। রক্তাক্ত অ্যাকশন আর বব ওডেনকার্কের অভিনয় মিলিয়ে নরমাল হয়ে উঠেছে বিনোদনধর্মী একটি সিনেমা।সিনেমাটি এখন দেখা যাচ্ছে এইচবিও ম্যাক্সে।
বিষয় : নরমাল শহর স্বাভাবিক নয়

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বরফে ঢাকা ছোট্ট এক শহর। জনসংখ্যা মাত্র ১ হাজার ৮৯০। অপরাধ নেই বললেই চলে। মানুষজন হাসিমুখে কথা বলে। দোকানে চলছে স্বাভাবিক কেনাকাটা। স্থানীয় মেয়রও বেশ বন্ধুবৎসল। এমন শহরে নতুন শেরিফের কাজই বা কী?কাগজপত্রে সই করা। ছোটখাটো ঝামেলা মেটানো। আর ছয় সপ্তাহের দায়িত্ব শেষ করে অন্য শহরে চলে যাওয়া। অন্তত উলিসিস রিচার্ডসনের পরিকল্পনা ছিল এমনই।কিন্তু শহরের নাম নরমাল হলেও এখানকার কিছুই স্বাভাবিক নয়। শান্ত শহরের মুখোশের নিচে লুকিয়ে আছে লোভ। অস্ত্র। সহিংসতা। দুর্নীতি এবং নানা গোপন হিসাব-নিকাশ।বেন হুইটলির পরিচালনায় অ্যাকশন-কমেডি সিনেমা নরমালে এই শেরিফ চরিত্রে অভিনয় করেছেন বব ওডেনকার্ক। শহরে আসার পরই উলিসিসের সন্দেহ বাড়তে থাকে। সদ্য মারা যাওয়া আগের শেরিফের মৃত্যু রহস্যজনক। তাঁর বাড়ি অস্বাভাবিক বড়। পুলিশ বিভাগের অস্ত্রভান্ডারও ছোট শহরের তুলনায় অবিশ্বাস্য রকমের বিশাল।এর মধ্যেই শহরের ব্যাংকে ডাকাতি করতে আসে দুই অপরাধী। সাধারণ ব্যাংক ডাকাতির ঘটনা মুহূর্তেই রূপ নেয় ভয়ংকর বন্দুকযুদ্ধে। একে একে শহরের মানুষ।
আড়ও পড়ুন,কঙ্গোতে স্কুলে আগুনে ২৪ শিশুর মৃত্যু
পুলিশ এবং মেয়রও জড়িয়ে পড়েন সেই সংঘাতে।বব ওডেনকার্কের অভিনয়ই সিনেমাটির অন্যতম বড় আকর্ষণ। ক্লান্ত এবং নির্লিপ্ত এক শেরিফ পরিস্থিতির চাপে যখন একের পর এক সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েন তখন গম্ভীর মুখের সঙ্গে ভয়াবহ অ্যাকশনের বৈপরীত্য তৈরি করে হাস্যরস।নরমাল শুধু অ্যাকশন কিংবা কমেডি নয়। ছোট শহরের আমেরিকান জীবনের নানা অসংগতিও ব্যঙ্গ করেছে সিনেমাটি। অস্ত্রের প্রতি আসক্তি। সামাজিক বিভাজন। অর্থনৈতিক স্থবিরতা এবং রাজনৈতিক মেরুকরণ উঠে এসেছে গল্পে।বরফে ঢাকা শহর আর অস্বাভাবিক চরিত্রের কারণে সিনেমাটি অনেকটা ফার্গোর কথা মনে করিয়ে দেয়। আবার অ্যাকশনের ধরনে রয়েছে জন উইক ও নোবডির ছায়াও।তবে ৯০ মিনিটের সিনেমায় অনেক চরিত্র ও গল্প থাকায় সবগুলো যথেষ্ট বিকশিত হয়নি। কিছু চমকও আগে থেকেই অনুমান করা যায়।তারপরও ডার্ক কমেডি। রোমাঞ্চ। রক্তাক্ত অ্যাকশন আর বব ওডেনকার্কের অভিনয় মিলিয়ে নরমাল হয়ে উঠেছে বিনোদনধর্মী একটি সিনেমা।সিনেমাটি এখন দেখা যাচ্ছে এইচবিও ম্যাক্সে।

আপনার মতামত লিখুন