আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করণ এবং ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যাওয়া এবং আসার বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশে ব্যাপক ভাবে কাজ করে যাচ্ছে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার ২ ফেব্রুয়ারী ঢাকা – ১৮ আসনের খিলক্ষেত এর নিকুঞ্জ -২ এলাকায় বিভিন্ন স্তরের জনগণের সাথে কথা বলেন উত্তরা আর্মি ক্যাম্প এবং এলাকার দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এই সময় যৌথবাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন ।
এই সময় নির্বাচনে দায়িত্বরত মোবাইল কোর্টের মেজিস্ট্রাট এ এনএম বদরুদ্দোজা বলেন , জনগণ নির্ভয়ে নিশ্চিন্তে এবার ভোট দিতে যেতে পারবে । ভোটাররা কোনো প্রকার বাধার মুখে পড়লে কিংবা কোনো ধরণের নিরাপত্তাহীনতা এবং বিশৃঙ্খলা দেখলে সাথে সাথেই ট্রিপল ৯৯৯ এ কল দিয়ে সহযোগিতা চাইলেই আমরা সার্বিক সুযোগিতায় ছুটে যাবো । এই ভাবে তিনি কয়েকভাগে নিকুঞ্জ এলাকার স্থানীয় জনগণের সাথে এই ধরণের আশ্বাস প্রদান মূলক কথা বলেন । ভোটাররা যেন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থী এবং গণভোট প্রয়োগ করেন সেই বিষয়ে সকলের প্রতি আহ্বান জানান ।
ঢাকা-১৮ আসনে ব্যাপক পরিমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে ।কোনো প্রকার কোনো সমস্যা হবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে জনগণকে সেই সময় ব্যাপক আশ্বস্থ করে উত্তরা আর্মি ক্যাম্পের মেজর ফুয়াদ বলেছেন , ৫ আগস্টের পরথেকে আমরা রাষ্ট্র এবং জনগণকে সহায়তার লক্ষে সারাদেশের মতো এই এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি । ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন করতে সকল বাহিনী ব্যাপক সতর্ক রয়েছে । জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন , ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় যে কথা গুলো বলেছেন তার সাথে ঐক্যমত রেখে আমরাও আপনাদের আসস্থ করে বলতে চাই , আপনারা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন । ভোট প্রয়োগ করে ফিরেও আসবেন । কোথাও কোনো ধরণের সমস্যা দেখা মাত্রই আপনারা আমাদের উত্তরা আর্মি ক্যাম্পে ফোন দিবেন ।
এই কর্মকর্তা আরো বলেন , তাদের দুইটি ইউনিট ডিপ্লয়েড আছে । এই দুই ইউনিটের প্রচুর সংখক সেনা সদস্য নিয়জিত রয়েছেন । উত্তরায় যতগুলো ভোট কেন্দ্র রয়েছে সেগুলো খুবেই কার্যকরভাবে নিরাপত্তা প্রদানে সক্ষম হবো । এই আসনে ঝুঁকি পূর্ণ কেন্দ্র আমরা চিহ্নিত করেছি । এই আসনে ৩০ থেকে ৪০ টা কেন্দ্র রয়েছে । নির্বাচনকালীন সময়ে এই সব কেন্দ্রগুলো কোনো সমস্যা দেখা দিলে যেন আমরা তড়িৎ গতিতে ব্যবস্থা নেয়া যায় সেই জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি । ঢাকা -১৮ আসনে এই ধরণের নানা তৎপরতা অব্যাহত রাখারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন কর্মকর্তারা ।
এই সময় স্থানীয় জনগণও আস্থার সাথে সার্বিক সহযোগিতার কথা বলেন কর্মকর্তাদের সাথে। উল্লেখ্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নির্বাচন কমিশন ও বেসামরিক প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহনমুলক নির্বাচন উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মূল লক্ষ্য হচ্ছে-নির্বাচনী পরিবেশকে জনগণের জন্য নিরাপদ, নাগরিক বান্ধব এবং অংশগ্রহণমূলক করে তোলা, যাতে ভোটাররা কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা প্রভাবমুক্ত হয়ে তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
আরও পড়ুন, গংগাচড়ায় চ্যানেল এস টিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
এই লক্ষ্যে সেনাবাহিনী যৌথ পেট্রলিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যেখানে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে মাঠ পর্যায়ে উপস্থিত থেকে জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা হচ্ছে। যৌথ পেট্রোলিংয়ের মাধ্যমে জনগণকে নির্বাচন সম্পর্কে অভয় প্রদান করছে, নিরাপত্তা বিষয়ে আশ্বস্ত করছে এবং তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী । বিশেষ করে নির্বাচনকালীন সময়ে সেনাবাহিনী ভোটকেন্দ্র ও এর আশপাশে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিতকরণ, কুইক রিঅ্যাকশন টীম প্রস্তুত রাখা, মোবাইল পেট্রোলিং, চেকপোস্ট স্বাগন এবং প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বেসামরিক বাহিনীকে সহায়তা প্রদান করবে। জনগণকে আশ্বস্ত করতে সেনাবাহিনী সবসময়ই নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে শুধুমাত্র আইন, সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় নির্দেশনার আলোকে দায়িত্ব পালন করবে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের ন্যায় আগামীতেও পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও জনগণের পাশে থাকবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি সফল, গ্রহণযোগ্য ও গণতান্ত্রিক উৎসবে পরিণত হবে-এই প্রত্যাশা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রাখে ।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করণ এবং ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যাওয়া এবং আসার বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশে ব্যাপক ভাবে কাজ করে যাচ্ছে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার ২ ফেব্রুয়ারী ঢাকা – ১৮ আসনের খিলক্ষেত এর নিকুঞ্জ -২ এলাকায় বিভিন্ন স্তরের জনগণের সাথে কথা বলেন উত্তরা আর্মি ক্যাম্প এবং এলাকার দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এই সময় যৌথবাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন ।
এই সময় নির্বাচনে দায়িত্বরত মোবাইল কোর্টের মেজিস্ট্রাট এ এনএম বদরুদ্দোজা বলেন , জনগণ নির্ভয়ে নিশ্চিন্তে এবার ভোট দিতে যেতে পারবে । ভোটাররা কোনো প্রকার বাধার মুখে পড়লে কিংবা কোনো ধরণের নিরাপত্তাহীনতা এবং বিশৃঙ্খলা দেখলে সাথে সাথেই ট্রিপল ৯৯৯ এ কল দিয়ে সহযোগিতা চাইলেই আমরা সার্বিক সুযোগিতায় ছুটে যাবো । এই ভাবে তিনি কয়েকভাগে নিকুঞ্জ এলাকার স্থানীয় জনগণের সাথে এই ধরণের আশ্বাস প্রদান মূলক কথা বলেন । ভোটাররা যেন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থী এবং গণভোট প্রয়োগ করেন সেই বিষয়ে সকলের প্রতি আহ্বান জানান ।
ঢাকা-১৮ আসনে ব্যাপক পরিমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে ।কোনো প্রকার কোনো সমস্যা হবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে জনগণকে সেই সময় ব্যাপক আশ্বস্থ করে উত্তরা আর্মি ক্যাম্পের মেজর ফুয়াদ বলেছেন , ৫ আগস্টের পরথেকে আমরা রাষ্ট্র এবং জনগণকে সহায়তার লক্ষে সারাদেশের মতো এই এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি । ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন করতে সকল বাহিনী ব্যাপক সতর্ক রয়েছে । জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন , ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় যে কথা গুলো বলেছেন তার সাথে ঐক্যমত রেখে আমরাও আপনাদের আসস্থ করে বলতে চাই , আপনারা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন । ভোট প্রয়োগ করে ফিরেও আসবেন । কোথাও কোনো ধরণের সমস্যা দেখা মাত্রই আপনারা আমাদের উত্তরা আর্মি ক্যাম্পে ফোন দিবেন ।
এই কর্মকর্তা আরো বলেন , তাদের দুইটি ইউনিট ডিপ্লয়েড আছে । এই দুই ইউনিটের প্রচুর সংখক সেনা সদস্য নিয়জিত রয়েছেন । উত্তরায় যতগুলো ভোট কেন্দ্র রয়েছে সেগুলো খুবেই কার্যকরভাবে নিরাপত্তা প্রদানে সক্ষম হবো । এই আসনে ঝুঁকি পূর্ণ কেন্দ্র আমরা চিহ্নিত করেছি । এই আসনে ৩০ থেকে ৪০ টা কেন্দ্র রয়েছে । নির্বাচনকালীন সময়ে এই সব কেন্দ্রগুলো কোনো সমস্যা দেখা দিলে যেন আমরা তড়িৎ গতিতে ব্যবস্থা নেয়া যায় সেই জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি । ঢাকা -১৮ আসনে এই ধরণের নানা তৎপরতা অব্যাহত রাখারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন কর্মকর্তারা ।
এই সময় স্থানীয় জনগণও আস্থার সাথে সার্বিক সহযোগিতার কথা বলেন কর্মকর্তাদের সাথে। উল্লেখ্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নির্বাচন কমিশন ও বেসামরিক প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহনমুলক নির্বাচন উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মূল লক্ষ্য হচ্ছে-নির্বাচনী পরিবেশকে জনগণের জন্য নিরাপদ, নাগরিক বান্ধব এবং অংশগ্রহণমূলক করে তোলা, যাতে ভোটাররা কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা প্রভাবমুক্ত হয়ে তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
আরও পড়ুন, গংগাচড়ায় চ্যানেল এস টিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
এই লক্ষ্যে সেনাবাহিনী যৌথ পেট্রলিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যেখানে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে মাঠ পর্যায়ে উপস্থিত থেকে জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা হচ্ছে। যৌথ পেট্রোলিংয়ের মাধ্যমে জনগণকে নির্বাচন সম্পর্কে অভয় প্রদান করছে, নিরাপত্তা বিষয়ে আশ্বস্ত করছে এবং তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী । বিশেষ করে নির্বাচনকালীন সময়ে সেনাবাহিনী ভোটকেন্দ্র ও এর আশপাশে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিতকরণ, কুইক রিঅ্যাকশন টীম প্রস্তুত রাখা, মোবাইল পেট্রোলিং, চেকপোস্ট স্বাগন এবং প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বেসামরিক বাহিনীকে সহায়তা প্রদান করবে। জনগণকে আশ্বস্ত করতে সেনাবাহিনী সবসময়ই নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে শুধুমাত্র আইন, সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় নির্দেশনার আলোকে দায়িত্ব পালন করবে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের ন্যায় আগামীতেও পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও জনগণের পাশে থাকবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি সফল, গ্রহণযোগ্য ও গণতান্ত্রিক উৎসবে পরিণত হবে-এই প্রত্যাশা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রাখে ।

আপনার মতামত লিখুন