দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন- ২০২৬ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে মাদারীপুর-১ (শিবচর) সংসদীয় আসনে সকল প্রার্থী নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি দেখে সাধারণ ভোটারদের ধারণা, আসন্ন নির্বাচনটি হবে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক।

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রার্থীরা নানা কৌশলে কর্মী ও সমর্থক সংগ্রহে মনোযোগ দিচ্ছেন। তবে এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অভিযোগ উঠেছে, ক্ষমতার লোভে কেউ কেউ অতীতের আওয়ামী লীগ শাসনামলের ফ্যাসিবাদী ক্ষমতা ভোগকারী নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমঝোতায় যাচ্ছেন, যা প্রশ্নের মুখে ফেলছে জুলাই বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থানের চেতনা।

আরও পড়ুন, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অবঃ) অলির নির্বাচনী এলাকায় কার্যক্রম শুরু

স্থানীয়দের মতে, শুধু ক্ষমতা দখলের উদ্দেশ্যে আদর্শ বিসর্জন দিয়ে যেকোনো পক্ষের লোককে দলে টানার প্রবণতা গণতন্ত্রের মূল চেতনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এভাবে কি আমরা গণআন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষাকে নিজেরাই প্রশ্নবিদ্ধ করছি না?

সচেতন মহলের দাবি, এই নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হওয়া উচিত ১৮ কোটি মানুষের কল্যাণে কে সবচেয়ে দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। ক্ষমতা বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত প্রার্থীদের মূল অঙ্গীকার। 

বিষয় : নির্বাচন মাদারীপুর

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা

প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন- ২০২৬ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে মাদারীপুর-১ (শিবচর) সংসদীয় আসনে সকল প্রার্থী নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি দেখে সাধারণ ভোটারদের ধারণা, আসন্ন নির্বাচনটি হবে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক।

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রার্থীরা নানা কৌশলে কর্মী ও সমর্থক সংগ্রহে মনোযোগ দিচ্ছেন। তবে এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অভিযোগ উঠেছে, ক্ষমতার লোভে কেউ কেউ অতীতের আওয়ামী লীগ শাসনামলের ফ্যাসিবাদী ক্ষমতা ভোগকারী নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমঝোতায় যাচ্ছেন, যা প্রশ্নের মুখে ফেলছে জুলাই বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থানের চেতনা।

আরও পড়ুন, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অবঃ) অলির নির্বাচনী এলাকায় কার্যক্রম শুরু

স্থানীয়দের মতে, শুধু ক্ষমতা দখলের উদ্দেশ্যে আদর্শ বিসর্জন দিয়ে যেকোনো পক্ষের লোককে দলে টানার প্রবণতা গণতন্ত্রের মূল চেতনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এভাবে কি আমরা গণআন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষাকে নিজেরাই প্রশ্নবিদ্ধ করছি না?

সচেতন মহলের দাবি, এই নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হওয়া উচিত ১৮ কোটি মানুষের কল্যাণে কে সবচেয়ে দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। ক্ষমতা বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত প্রার্থীদের মূল অঙ্গীকার। 


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত