দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : রোববার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

নির্বাচনী কৌশলে মাঠ চষছেন প্রার্থীরা

নির্বাচনী কৌশলে মাঠ চষছেন প্রার্থীরা
নির্বাচনী কৌশলে মাঠ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি রয়েছে আর ২৪ দিন। তবে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হওয়ার আগেই মাঠে-ঘাটে ও সামাজিক পরিসরে এখনই শুরু হয়েছে নীরব ‘ভোটযুদ্ধ’। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী ২১ জানুয়ারির আগে কোনো রাজনৈতিক দল, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো ধরনের নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারবেন না। তবে নির্বাচনি মাঠের বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। সরাসরি ভোট না চাইলেও কিংবা পোস্টার-ফেস্টুন না লাগালেও সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানের আড়ালে কৌশলে গণসংযোগ চালিয়ে ভোটারদের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন প্রার্থীরা। 

 তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এমন কৌশলী প্রচারণায় নির্বাচনি আচরণবিধির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আশঙ্কা তৈরি হয়েছে সুষ্ঠু ও সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার। যদিও নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে শোকজ করেছে ইসি। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও সারা দেশে খোঁজ নিয়ে ভোটের মাঠের কৌশলী এমন প্রচারণার চিত্র পাওয়া গেছে। 

আরো পড়ুন ,দেশকে আবার অন্ধকার রাজনীতিতে ঠেলে দেওয়া যাবে না : নুর

তবে প্রার্থীরা বলছেন, তারা নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনেই নিজ নিজ এলাকায় নানা কর্মসূচি পালন করছেন। বিভিন্ন ইস্যুতে তারা জনগণের কাছে যাচ্ছেন, কুশল বিনিময় করছেন। সরাসরি কেউই ভোট চাচ্ছেন না; কিন্তু তারপরও সব মিলিয়ে রাজনৈতিক দলের মনোনীত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনি মাঠ গরম রাখছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,

 মহানগরীসহ বৃহত্তর ঢাকার ২০টি আসনের প্রার্থীরা ঢাকায় থাকলেও ঢাকার বাইরের মনোনয়ন পাওয়া প্রায় সব দলের প্রার্থীই এখন নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। ঢাকায় অবস্থান করছেন এমন সংখ্যা প্রায় হাতেগোনা। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধের মধ্যে প্রার্থীরা ভিন্ন কৌশলে ভোট চাচ্ছেন। তবে ভোট মানুষ চাইবেই, তাদের বাধা দেবেন কিভাবে। প্রার্থী নিজে যদি সৎ না হন তাহলে আচরণবিধি রক্ষা করা সম্ভব হয় না।

 নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পরই শুধু নিয়ম মেনে প্রচারণা চালানো যাবে। সে হিসাবে ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় নামবেন প্রার্থীরা। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যরাতে সব ধরনের প্রচার বন্ধ হবে।  আলোচনায় আনছেন আওয়ামী লীগ সরকারের নানা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সুবিধা-অসুবিধার বিষয়গুলো। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তার মাধ্যমে ভোট প্রত্যাশা করছেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। 

বিষয় : কৌশল ‘ভোটযুদ্ধ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


নির্বাচনী কৌশলে মাঠ চষছেন প্রার্থীরা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি রয়েছে আর ২৪ দিন। তবে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হওয়ার আগেই মাঠে-ঘাটে ও সামাজিক পরিসরে এখনই শুরু হয়েছে নীরব ‘ভোটযুদ্ধ’। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী ২১ জানুয়ারির আগে কোনো রাজনৈতিক দল, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো ধরনের নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারবেন না। তবে নির্বাচনি মাঠের বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। সরাসরি ভোট না চাইলেও কিংবা পোস্টার-ফেস্টুন না লাগালেও সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানের আড়ালে কৌশলে গণসংযোগ চালিয়ে ভোটারদের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন প্রার্থীরা। 

 তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এমন কৌশলী প্রচারণায় নির্বাচনি আচরণবিধির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আশঙ্কা তৈরি হয়েছে সুষ্ঠু ও সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার। যদিও নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে শোকজ করেছে ইসি। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও সারা দেশে খোঁজ নিয়ে ভোটের মাঠের কৌশলী এমন প্রচারণার চিত্র পাওয়া গেছে। 

আরো পড়ুন ,দেশকে আবার অন্ধকার রাজনীতিতে ঠেলে দেওয়া যাবে না : নুর

তবে প্রার্থীরা বলছেন, তারা নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনেই নিজ নিজ এলাকায় নানা কর্মসূচি পালন করছেন। বিভিন্ন ইস্যুতে তারা জনগণের কাছে যাচ্ছেন, কুশল বিনিময় করছেন। সরাসরি কেউই ভোট চাচ্ছেন না; কিন্তু তারপরও সব মিলিয়ে রাজনৈতিক দলের মনোনীত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনি মাঠ গরম রাখছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,

 মহানগরীসহ বৃহত্তর ঢাকার ২০টি আসনের প্রার্থীরা ঢাকায় থাকলেও ঢাকার বাইরের মনোনয়ন পাওয়া প্রায় সব দলের প্রার্থীই এখন নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। ঢাকায় অবস্থান করছেন এমন সংখ্যা প্রায় হাতেগোনা। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধের মধ্যে প্রার্থীরা ভিন্ন কৌশলে ভোট চাচ্ছেন। তবে ভোট মানুষ চাইবেই, তাদের বাধা দেবেন কিভাবে। প্রার্থী নিজে যদি সৎ না হন তাহলে আচরণবিধি রক্ষা করা সম্ভব হয় না।

 নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পরই শুধু নিয়ম মেনে প্রচারণা চালানো যাবে। সে হিসাবে ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় নামবেন প্রার্থীরা। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যরাতে সব ধরনের প্রচার বন্ধ হবে।  আলোচনায় আনছেন আওয়ামী লীগ সরকারের নানা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সুবিধা-অসুবিধার বিষয়গুলো। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তার মাধ্যমে ভোট প্রত্যাশা করছেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। 


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত