তারাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেল থেকে উপজেলার ১নং আলমপুর ইউনিয়নের খিয়ার জুম্মা বাজার, ৩নং সয়ার ইউনিয়ন ও ২নং কুর্শা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ভূমি মোছা. আসমা উল হুসনা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোনাব্বর হোসেন।
জানা গেছে, উপজেলার খিয়ার জুম্মা বাজার নামক স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহন করার প্রাক্কালে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় জনৈক ব্যক্তির নিকট মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৫০ হাজার অর্থদণ্ডাদেশ ও সয়ার ইউনিয়নে ব্যক্তি মালিকানাধীন কৃষি জমির উর্বর স্তর কাটার (অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন) দায়ে মো. রশিদুল ইসলামকে (৩৬) ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডাদেশ এবং অর্থদণ্ডের সম্পূর্ণ অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। এ ছাড়াও উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রহিমাপুর এলাকার চাকলা ঘাট নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আরও পড়ুন, মনিরামপুরে পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত
এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম বা বালু উত্তোলন কাজে জড়িত কোনো ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। তবে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন না করার বিষয়ে এলাকাবাসীকে সতর্ক করা হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগণ সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোনাব্বর হোসেন বলেন, উপজেলার কয়েকটি এলাকায় মোট ৩টি স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। স্থানীয় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা সঠিক রাখার নিমিত্তে এবং অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নজরদারি জোরদারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
তারাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেল থেকে উপজেলার ১নং আলমপুর ইউনিয়নের খিয়ার জুম্মা বাজার, ৩নং সয়ার ইউনিয়ন ও ২নং কুর্শা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ভূমি মোছা. আসমা উল হুসনা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোনাব্বর হোসেন।
জানা গেছে, উপজেলার খিয়ার জুম্মা বাজার নামক স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহন করার প্রাক্কালে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় জনৈক ব্যক্তির নিকট মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৫০ হাজার অর্থদণ্ডাদেশ ও সয়ার ইউনিয়নে ব্যক্তি মালিকানাধীন কৃষি জমির উর্বর স্তর কাটার (অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন) দায়ে মো. রশিদুল ইসলামকে (৩৬) ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডাদেশ এবং অর্থদণ্ডের সম্পূর্ণ অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। এ ছাড়াও উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রহিমাপুর এলাকার চাকলা ঘাট নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আরও পড়ুন, মনিরামপুরে পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত
এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম বা বালু উত্তোলন কাজে জড়িত কোনো ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। তবে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন না করার বিষয়ে এলাকাবাসীকে সতর্ক করা হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগণ সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোনাব্বর হোসেন বলেন, উপজেলার কয়েকটি এলাকায় মোট ৩টি স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। স্থানীয় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা সঠিক রাখার নিমিত্তে এবং অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নজরদারি জোরদারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন