শীতের প্রকোপ বেড়েছে উত্তরাঞ্চলে। যমুনা সেতুর ওপারে প্রায় ১৮জেলার নিম্নের মানুষেরা শীতের প্রকোপ এর কারণে কর্মহীনতায় ভুগছেন। রংপুর বিভাগের সীমান্তবর্তী এলাকায় ১৩-৯ এর মধ্যে তাপমাত্রা থাকবেন বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস। অপরদিকে রাজশাহী বিভাগে তার কিছুটা উন্নতি হতে পারেও বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।
খবর নিয়ে জানা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকা ও নদী কেন্দ্রিক বসতি হওয়ায় ঠান্ডা বাতাসে অসুস্থ হচ্ছেন অনেকেই। বিভিন্ন জেলার হাসপাতালে ও উপজেলার হাসপাতালে ঠান্ডা জনিত রোগীর চাপ বেড়েছে। হাসপাতালগুলো থেকে বলছেন, গত তিন চার দিন যাবত শীতের চাপ পড়ায় ঠান্ডা জনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আমাদের সাধ্যমত আমরা চিকিৎসা প্রদান করছি। সম্ভবত শীতের প্রকোপ আরো বাড়লে রোগীর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। শুধু হসপিটালের চিকিৎসা নয় নিজেদেরকেও শীত থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
আরও পড়ুন, মহেশপুরে চায়ের দোকানে ঢুকে পড়লো প্রাইভেটকার, চা দোকানি নিহত
বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার স্থানীয়রা বলছেন, বেপরোয়া শীতের কারণে জনজীবন নাকাল পরিস্থিতির শিকার। অন্যান্য বছর সরকার থেকে সহযোগিতা আসলেও এ বছরে কোন সহযোগিতা আসেনি। বিশেষ করে রংপুর বিভাগের, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় নিম্নঅায়ের মানুষেরা কর্মহীনতায় ভুগছেন। ইতিমধ্যে অনেকের ঘরে চাল না থাকায় ধার দেনা করে চলছেন। শীতের প্রকোপ লম্বা হলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবেন বলে জানান স্থানীয়রা।
আরও পড়ুন, মহেশপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত: আব্দুর রহমান সভাপতি ও বাবু সম্পাদক নির্বাচিত
বিভাগীয় অফিস থেকে জানানো হয়, শীতের প্রকোপ ইতিমধ্যেই লক্ষ্য করা হয়েছে। আবহাওয়া অফিসের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করছে বিভাগীয় অফিসগুলো। নিম্নআয়ের মানুষদের সহযোগিতার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি আমরা বিপদগ্রস্ত সেই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াবো।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
শীতের প্রকোপ বেড়েছে উত্তরাঞ্চলে। যমুনা সেতুর ওপারে প্রায় ১৮জেলার নিম্নের মানুষেরা শীতের প্রকোপ এর কারণে কর্মহীনতায় ভুগছেন। রংপুর বিভাগের সীমান্তবর্তী এলাকায় ১৩-৯ এর মধ্যে তাপমাত্রা থাকবেন বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস। অপরদিকে রাজশাহী বিভাগে তার কিছুটা উন্নতি হতে পারেও বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।
খবর নিয়ে জানা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকা ও নদী কেন্দ্রিক বসতি হওয়ায় ঠান্ডা বাতাসে অসুস্থ হচ্ছেন অনেকেই। বিভিন্ন জেলার হাসপাতালে ও উপজেলার হাসপাতালে ঠান্ডা জনিত রোগীর চাপ বেড়েছে। হাসপাতালগুলো থেকে বলছেন, গত তিন চার দিন যাবত শীতের চাপ পড়ায় ঠান্ডা জনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আমাদের সাধ্যমত আমরা চিকিৎসা প্রদান করছি। সম্ভবত শীতের প্রকোপ আরো বাড়লে রোগীর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। শুধু হসপিটালের চিকিৎসা নয় নিজেদেরকেও শীত থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
আরও পড়ুন, মহেশপুরে চায়ের দোকানে ঢুকে পড়লো প্রাইভেটকার, চা দোকানি নিহত
বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার স্থানীয়রা বলছেন, বেপরোয়া শীতের কারণে জনজীবন নাকাল পরিস্থিতির শিকার। অন্যান্য বছর সরকার থেকে সহযোগিতা আসলেও এ বছরে কোন সহযোগিতা আসেনি। বিশেষ করে রংপুর বিভাগের, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় নিম্নঅায়ের মানুষেরা কর্মহীনতায় ভুগছেন। ইতিমধ্যে অনেকের ঘরে চাল না থাকায় ধার দেনা করে চলছেন। শীতের প্রকোপ লম্বা হলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবেন বলে জানান স্থানীয়রা।
আরও পড়ুন, মহেশপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত: আব্দুর রহমান সভাপতি ও বাবু সম্পাদক নির্বাচিত
বিভাগীয় অফিস থেকে জানানো হয়, শীতের প্রকোপ ইতিমধ্যেই লক্ষ্য করা হয়েছে। আবহাওয়া অফিসের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করছে বিভাগীয় অফিসগুলো। নিম্নআয়ের মানুষদের সহযোগিতার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি আমরা বিপদগ্রস্ত সেই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াবো।

আপনার মতামত লিখুন