কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মাঝে রাজধানীর রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশন সেন্টারে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনে টিভি সেন্টারের ভেতরের রিসিপশন, ক্যান্টিন ও একটি বাস পুড়ে যায়। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে টিভি সেন্টারে আগুনের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেনে প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার শিহাব সরকার আগুনের বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, আগুন লাগার ৩-৪ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলের দিকে গেলে আন্দোলনকারীরা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আটকে দেয়। তারা আগুন নেভাতে বাধা দেয়।
আরও পড়ুন, আমরা সবাই হাদি হবো, যুগে যুগে লড়ে যাবো: ছাত্র-জনতা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রামপুরা এলাকায় দুপুর ১২টার দিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এরপরই পুলিশের সঙ্গে যোগ দেন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। কিন্তু পরক্ষণেই শিক্ষার্থীরা আবার মিছিল নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের দিক থেকে এলে পুলিশ আবার সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এরপরই শুরু হয় সংঘর্ষ। এ সময় শিক্ষার্থীরা ধাওয়া দিলে ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গসংগঠনের কর্মীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরক্ষণে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে থেমে থেমে সংঘর্ষ হয়।
বিষয় : সংঘর্ষ আগুন বাংলাদেশ টেলিভিশন কোটা রামপুরা

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মাঝে রাজধানীর রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশন সেন্টারে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনে টিভি সেন্টারের ভেতরের রিসিপশন, ক্যান্টিন ও একটি বাস পুড়ে যায়। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে টিভি সেন্টারে আগুনের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেনে প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার শিহাব সরকার আগুনের বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, আগুন লাগার ৩-৪ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলের দিকে গেলে আন্দোলনকারীরা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আটকে দেয়। তারা আগুন নেভাতে বাধা দেয়।
আরও পড়ুন, আমরা সবাই হাদি হবো, যুগে যুগে লড়ে যাবো: ছাত্র-জনতা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রামপুরা এলাকায় দুপুর ১২টার দিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এরপরই পুলিশের সঙ্গে যোগ দেন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। কিন্তু পরক্ষণেই শিক্ষার্থীরা আবার মিছিল নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের দিক থেকে এলে পুলিশ আবার সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এরপরই শুরু হয় সংঘর্ষ। এ সময় শিক্ষার্থীরা ধাওয়া দিলে ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গসংগঠনের কর্মীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরক্ষণে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে থেমে থেমে সংঘর্ষ হয়।

আপনার মতামত লিখুন