শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৪৫টি ককটেল সদৃশ্য বস্তু ও বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় সন্দেহভাজন চারজনকে আটক করা হয়।সোমবার সকাল থেকে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই বেপারী কান্দি এলাকায় প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিলাসপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। অতীতে এই বিরোধকে কেন্দ্র করে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যেখানে শত শত ককটেল বিস্ফোরিত হয় এবং অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটে।
আরো পড়ুন , বিজিবি অধিনায়ক চাঁপাইনবাবগঞ্জে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন
এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে মুলাই বেপারী কান্দি এলাকার সাগর বেপারীর বাড়িতে ককটেল তৈরির সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো বসতঘর ধ্বংস হয়ে যায়। ওই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সোহান বেপারী নিহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীন সরদার নামে আরও এক যুবকের মৃত্যু হয়।ঘটনার পরদিন শুক্রবার সকালে নিরাপত্তা বাহিনী ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে হাতবোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করে। পরে সোমবার ডগ স্কোয়াডসহ পুনরায় ওই এলাকায় অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী।
এ সময় ৪৫টি ককটেল সদৃশ্য বস্তু ও বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন সন্দেহে চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তানভীর হোসেন বলেন, বিলাসপুর এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ককটেল সদৃশ্য বস্তু ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৪৫টি ককটেল সদৃশ্য বস্তু ও বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় সন্দেহভাজন চারজনকে আটক করা হয়।সোমবার সকাল থেকে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই বেপারী কান্দি এলাকায় প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিলাসপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। অতীতে এই বিরোধকে কেন্দ্র করে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যেখানে শত শত ককটেল বিস্ফোরিত হয় এবং অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটে।
আরো পড়ুন , বিজিবি অধিনায়ক চাঁপাইনবাবগঞ্জে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন
এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে মুলাই বেপারী কান্দি এলাকার সাগর বেপারীর বাড়িতে ককটেল তৈরির সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো বসতঘর ধ্বংস হয়ে যায়। ওই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সোহান বেপারী নিহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীন সরদার নামে আরও এক যুবকের মৃত্যু হয়।ঘটনার পরদিন শুক্রবার সকালে নিরাপত্তা বাহিনী ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে হাতবোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করে। পরে সোমবার ডগ স্কোয়াডসহ পুনরায় ওই এলাকায় অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী।
এ সময় ৪৫টি ককটেল সদৃশ্য বস্তু ও বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন সন্দেহে চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তানভীর হোসেন বলেন, বিলাসপুর এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ককটেল সদৃশ্য বস্তু ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন