দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মাদারগঞ্জে স্কুলে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার, আটক ২

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর নিখোঁজ হওয়া মরিয়ম আক্তার (৭) নামের এক প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের তিন দিন পর শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে প্রতিবেশীর বসতঘরের মেঝে খুঁড়ে শিশুটির মাটিচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করা হয়েছে। নিহত মরিয়ম উপজেলার চরলোটাবর এলাকার বাহাদুর আলী মণ্ডলের মেয়ে এবং স্থানীয় সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়:গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে মরিয়ম প্রতিদিনের মতো বিদ্যালয়ে যায়। পরে সাড়ে ১০টার দিকে তার মা ববিতা বেগম বিদ্যালয়ে গিয়ে মেয়েকে না পেয়ে শিক্ষকদের কাছে খোঁজ নেন। কোথাও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে এবং মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে।আরও  পড়ুন, নরসিংদীতে চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের ৭৪ তম জন্মদিন পালিত এছাড়া এলাকায় মাইকিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শিশুর সন্ধান চেয়ে প্রচার চালানো হয়।অবশেষে শনিবার দিবাগত রাতে স্থানীয়দের মাধ্যমে নিহতের পরিবার জানতে পারে, বিদ্যালয়ের পাশের প্রতিবেশী জামিনুর ইসলামের বসতঘরের মেঝেতে একটি শিশুর লাশ মাটিচাপা দেওয়া আছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাত একটার দিকে মাটি খুঁড়ে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাহাদুর মণ্ডল বাদী হয়ে জামিনুর ইসলাম, তার স্ত্রী সবুজা বেগমসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীষ রায় জানান, প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে হত্যা করে মরদেহ ঘরে মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। গ্রেপ্তার জামিনুরকে রোববার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে ও হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

মাদারগঞ্জে স্কুলে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার, আটক ২