কলকাতা, মুম্বাই ও চেন্নাইতে অবস্থিত বাংলাদেশের উপদূতাবাসগুলি থেকে ভারতীয় নাগরিকদের পর্যটক ভিসা দেওয়া ‘সীমিত’ করা হয়েছে। এর আগে দিল্লির দূতাবাস এবং আগরতলায় অ্যাসিস্ট্যান্ট হাই কমিশনারের দপ্তর থেকে ভিসা দেওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। খবর বিবিসির।
এখন শুধুমাত্র গুয়াহাটির অ্যাসিস্ট্যান্ড হাই কমিশনারের দপ্তর থেকে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশের ভিসা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু থাকল। এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা না হলেও, বুধবার থেকে যে পর্যটক ভিসা দেওয়া ‘সীমিত’ করা হয়েছে তা নিশ্চিত করেছে কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাসের সূত্রগুলি।
আরও পড়ুন, অভিযোগ জানাতে ইসিতে এখন ফোন ব্যবহার করা যাবে
এখন পর্যটক ভিসা দেওয়া ‘সীমিত’ করলেও বাণিজ্যিক ভিসাসহ অন্যান্য ভিসা দেওয়া চালু থাকছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশে থাকা চারটি ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে ভাঙচুর করা হয়। সেসময় ঢাকায় ভিসা সেন্টারের সামনেও বিক্ষোভ হয়। এরপর কয়েকদিন ভারত সব ধরনের ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রাখে।
পরে ভিসা সেন্টারগুলো চালু হলেও মূলত ওই সময় থেকেই ভারত জানিয়ে দেয় যে মেডিকেল ভিসা এবং কিছু জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অন্যান্য ভিসা তারা আপাতত ইস্যু করবে না। বর্তমানে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় পর্যটক ভিসা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
কলকাতা, মুম্বাই ও চেন্নাইতে অবস্থিত বাংলাদেশের উপদূতাবাসগুলি থেকে ভারতীয় নাগরিকদের পর্যটক ভিসা দেওয়া ‘সীমিত’ করা হয়েছে। এর আগে দিল্লির দূতাবাস এবং আগরতলায় অ্যাসিস্ট্যান্ট হাই কমিশনারের দপ্তর থেকে ভিসা দেওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। খবর বিবিসির।
এখন শুধুমাত্র গুয়াহাটির অ্যাসিস্ট্যান্ড হাই কমিশনারের দপ্তর থেকে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশের ভিসা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু থাকল। এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা না হলেও, বুধবার থেকে যে পর্যটক ভিসা দেওয়া ‘সীমিত’ করা হয়েছে তা নিশ্চিত করেছে কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাসের সূত্রগুলি।
আরও পড়ুন, অভিযোগ জানাতে ইসিতে এখন ফোন ব্যবহার করা যাবে
এখন পর্যটক ভিসা দেওয়া ‘সীমিত’ করলেও বাণিজ্যিক ভিসাসহ অন্যান্য ভিসা দেওয়া চালু থাকছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশে থাকা চারটি ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে ভাঙচুর করা হয়। সেসময় ঢাকায় ভিসা সেন্টারের সামনেও বিক্ষোভ হয়। এরপর কয়েকদিন ভারত সব ধরনের ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রাখে।
পরে ভিসা সেন্টারগুলো চালু হলেও মূলত ওই সময় থেকেই ভারত জানিয়ে দেয় যে মেডিকেল ভিসা এবং কিছু জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অন্যান্য ভিসা তারা আপাতত ইস্যু করবে না। বর্তমানে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় পর্যটক ভিসা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন