গাজীপুর জেলার সংরক্ষিত শালবনের বিস্তীর্ণ অংশ অবৈধভাবে উজাড় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের দখলে দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় এসেছেন সেলিম ভূঁইয়া নামের এক ব্যক্তি। স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবেশকর্মী ও একাধিক সূত্রের অভিযোগ—বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও দালালচক্রের সহযোগিতায় তিনি প্রায় ৩৭০ শতাংশ বনভূমি কেটে শিল্পকারখানার হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই বনভূমির ওপর বর্তমানে ফুং সিরামিক লিমিটেড ও সান পাওয়ার সিরামিক লিমিটেড নামে দুটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চলছে। স্থানীয়দের দাবি, বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তাকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রভাবিত করে দখল প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে। সূত্রগুলো জানায়, পুরো এই দখল ও হস্তান্তর প্রক্রিয়াকে ঘিরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার বাণিজ্য সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর একটি বড় অংশ দালালচক্রের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এখনো সম্পন্ন হয়নি।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় নিয়োগ ও বিএড সনদ সবই ভুয়া, তবু ২২ বছর ধরে শিক্ষককতা করছেন নুরুজ্জামান
পরিবেশবিদরা বলছেন, গাজীপুরের শালবন শুধু বনসম্পদ নয়—এটি এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্য, জীববৈচিত্র্য ও জলাধার সংরক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নির্বিচারে গাছ কাটা ও বনভূমি দখলের ফলে এলাকায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর হ্রাস এবং বন্যপ্রাণীর আবাস ধ্বংসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে।”

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
গাজীপুর জেলার সংরক্ষিত শালবনের বিস্তীর্ণ অংশ অবৈধভাবে উজাড় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের দখলে দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় এসেছেন সেলিম ভূঁইয়া নামের এক ব্যক্তি। স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবেশকর্মী ও একাধিক সূত্রের অভিযোগ—বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও দালালচক্রের সহযোগিতায় তিনি প্রায় ৩৭০ শতাংশ বনভূমি কেটে শিল্পকারখানার হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই বনভূমির ওপর বর্তমানে ফুং সিরামিক লিমিটেড ও সান পাওয়ার সিরামিক লিমিটেড নামে দুটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চলছে। স্থানীয়দের দাবি, বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তাকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রভাবিত করে দখল প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে। সূত্রগুলো জানায়, পুরো এই দখল ও হস্তান্তর প্রক্রিয়াকে ঘিরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার বাণিজ্য সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর একটি বড় অংশ দালালচক্রের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এখনো সম্পন্ন হয়নি।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় নিয়োগ ও বিএড সনদ সবই ভুয়া, তবু ২২ বছর ধরে শিক্ষককতা করছেন নুরুজ্জামান
পরিবেশবিদরা বলছেন, গাজীপুরের শালবন শুধু বনসম্পদ নয়—এটি এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্য, জীববৈচিত্র্য ও জলাধার সংরক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নির্বিচারে গাছ কাটা ও বনভূমি দখলের ফলে এলাকায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর হ্রাস এবং বন্যপ্রাণীর আবাস ধ্বংসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন