ইরানে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের সরকারবিরোধী তীব্র বিক্ষোভের সময় বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় হামলা, নাশকতা এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তিন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড সশরীরে কার্যকর করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ তাদের এক প্রতিবেদনে ইরানি সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া এই তিন ব্যক্তি হলেন হাসান দিয়োবান্দ, হামিদ কাজেমি এবং রেজা জানগানে। একই সাথে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শত্রুভাবাপন্ন ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে অপতৎপরতা পরিচালনার অভিযোগও এনেছে দেশটির বিচার বিভাগ। ইরানের বিচারিক সূত্রের অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে উক্ত তিনজন হস্তনির্মিত পেট্রোলবোমা, গ্রেনেড ও তাজা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে রাষ্ট্রের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালায়।
আরও পড়ুন,ফাইনাল ভেন্যু নিয়ে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে টানাপোড়েন
তাছাড়া কারাজ শহরের একটি কৌশলগত বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ড ঘটানো এবং ভাঙচুর করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে, যার কারণে ওই অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিকল হয়ে পড়েছিল। উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে জানুয়ারির সহিংস বিক্ষোভ ঘিরে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রক্রিয়াটি বেশ দ্রুত করা হচ্ছে। ইরানে এভাবে দ্রুততম সময়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক ইরান সরকারের প্রতি অবিলম্বে সমস্ত কার্যকরযোগ্য মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মানদণ্ড তুলে ধরে তিনি রাষ্ট্রীয়ভাবে এই চরম শাস্তিমূলক মৃত্যুদণ্ডের আইনি বিধানটি চিরতরে বাতিল ও বিলুপ্ত করার উদ্যোগ নিতে জোর তাগিদ দিয়েছেন।
বিষয় : নাশকতার আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ইরানে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের সরকারবিরোধী তীব্র বিক্ষোভের সময় বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় হামলা, নাশকতা এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তিন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড সশরীরে কার্যকর করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ তাদের এক প্রতিবেদনে ইরানি সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া এই তিন ব্যক্তি হলেন হাসান দিয়োবান্দ, হামিদ কাজেমি এবং রেজা জানগানে। একই সাথে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শত্রুভাবাপন্ন ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে অপতৎপরতা পরিচালনার অভিযোগও এনেছে দেশটির বিচার বিভাগ। ইরানের বিচারিক সূত্রের অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে উক্ত তিনজন হস্তনির্মিত পেট্রোলবোমা, গ্রেনেড ও তাজা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে রাষ্ট্রের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালায়।
আরও পড়ুন,ফাইনাল ভেন্যু নিয়ে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে টানাপোড়েন
তাছাড়া কারাজ শহরের একটি কৌশলগত বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ড ঘটানো এবং ভাঙচুর করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে, যার কারণে ওই অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিকল হয়ে পড়েছিল। উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে জানুয়ারির সহিংস বিক্ষোভ ঘিরে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রক্রিয়াটি বেশ দ্রুত করা হচ্ছে। ইরানে এভাবে দ্রুততম সময়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক ইরান সরকারের প্রতি অবিলম্বে সমস্ত কার্যকরযোগ্য মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মানদণ্ড তুলে ধরে তিনি রাষ্ট্রীয়ভাবে এই চরম শাস্তিমূলক মৃত্যুদণ্ডের আইনি বিধানটি চিরতরে বাতিল ও বিলুপ্ত করার উদ্যোগ নিতে জোর তাগিদ দিয়েছেন।
