ইসরাইলের ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এতে দেশটির পার্লামেন্টে আরব দলগুলোর ১৯টি আসন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের এই ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছেন ইসরাইলে বসবাসরত ফিলিস্তিনি আরব সম্প্রদায় এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ফিলিস্তিনিরা। নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট এবং তাঁর প্রতিপক্ষ সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকোটের পক্ষ—কেউই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে পারেনি। এ পরিস্থিতিতে আরব দলগুলোর অর্জিত ১৯টি আসন সরকার গঠনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচনী প্রচারণায় আরব রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ নিয়ে নেতানিয়াহু ও তাঁর ডানপন্থী মিত্ররা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।
আরও পড়ুন,ভারতে বিএসএফের ওপর হামলা গ্রেপ্তার ৩ নারীসহ ৯ জন
জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরও আরব ভোটারদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে নির্বাচনের পরও আরব দলগুলোকে সরকারে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করেছেন আইজেনকোটসহ সম্ভাব্য জোটসঙ্গীরা। বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাইলের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিলিস্তিনি নাগরিকদের অংশগ্রহণ এবং সমান অধিকার নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক নতুন করে সামনে এসেছে। এদিকে মনসুর আব্বাসের নেতৃত্বাধীন রাম পার্টি নির্বাচনে আটটি আসন পেয়েছে। দলটি এর আগে ২০২১ সালে নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিডের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে অংশ নিয়েছিল। অন্যদিকে ফিলিস্তিনিদের একটি অংশ ইসরাইলের পার্লামেন্ট নির্বাচন বয়কটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাদের দাবি, বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা ফিলিস্তিনিদের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে পারছে না।
সর্বশেষ নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য এবং ইসরাইলের সরকার গঠন নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ফিলিস্তিনিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক ঐক্য, আন্তর্জাতিক সংহতি এবং আইনি জবাবদিহিতার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও সামনে এসেছে।
বিষয় : ইসরাইল সংখ্যাগরিষ্ঠতা

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
ইসরাইলের ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এতে দেশটির পার্লামেন্টে আরব দলগুলোর ১৯টি আসন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের এই ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছেন ইসরাইলে বসবাসরত ফিলিস্তিনি আরব সম্প্রদায় এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ফিলিস্তিনিরা। নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট এবং তাঁর প্রতিপক্ষ সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকোটের পক্ষ—কেউই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে পারেনি। এ পরিস্থিতিতে আরব দলগুলোর অর্জিত ১৯টি আসন সরকার গঠনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচনী প্রচারণায় আরব রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ নিয়ে নেতানিয়াহু ও তাঁর ডানপন্থী মিত্ররা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।
আরও পড়ুন,ভারতে বিএসএফের ওপর হামলা গ্রেপ্তার ৩ নারীসহ ৯ জন
জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরও আরব ভোটারদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে নির্বাচনের পরও আরব দলগুলোকে সরকারে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করেছেন আইজেনকোটসহ সম্ভাব্য জোটসঙ্গীরা। বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাইলের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিলিস্তিনি নাগরিকদের অংশগ্রহণ এবং সমান অধিকার নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক নতুন করে সামনে এসেছে। এদিকে মনসুর আব্বাসের নেতৃত্বাধীন রাম পার্টি নির্বাচনে আটটি আসন পেয়েছে। দলটি এর আগে ২০২১ সালে নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিডের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে অংশ নিয়েছিল। অন্যদিকে ফিলিস্তিনিদের একটি অংশ ইসরাইলের পার্লামেন্ট নির্বাচন বয়কটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাদের দাবি, বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা ফিলিস্তিনিদের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে পারছে না।
সর্বশেষ নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য এবং ইসরাইলের সরকার গঠন নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ফিলিস্তিনিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক ঐক্য, আন্তর্জাতিক সংহতি এবং আইনি জবাবদিহিতার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও সামনে এসেছে।
