ইরান যুদ্ধের প্রভাব এবং মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁকে দায়িত্বে রাখা হবে কি না, তা নিয়ে উপদেষ্টাদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে, নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য হেগসেথকে দায়ী করছেন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের একাংশ। আগামী সপ্তাহে তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবে ভোট হতে পারে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছে। গালফ নিউজের ৫ নভেম্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর হেগসেথের দায়িত্বে থাকা নিয়ে উপদেষ্টাদের মতামত নিচ্ছেন ট্রাম্প। এ বিষয়ে তিনি সরাসরি সাক্ষাৎ ও টেলিফোনে আলোচনা করেছেন বলে সিবিএস নিউজ একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে। তবে এখনো হেগসেথকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি প্রেসিডেন্ট। সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিসের নাম আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে, হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, হেগসেথের ওপর ট্রাম্পের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। প্রকাশ্যেও প্রেসিডেন্ট তাঁকে ভালো কাজ করছেন বলে প্রশংসা করেছেন।
আরও পড়ুন, ইসরাইলের নির্বাচনে আট আসন পেল মনসুর আব্বাসের দল
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের দায় হেগসেথের ওপর চাপাচ্ছেন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ও তাঁদের মিত্রদের কেউ কেউ। আগামী সপ্তাহে তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবে ভোট হতে পারে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান যুদ্ধের কারণেই নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয় হয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্পও স্বীকার করেছেন, নির্বাচনে পরাজয়ের অন্যতম কারণ ছিল ইরান যুদ্ধ। তবে যুদ্ধ পরিচালনায় নিজের ভূমিকার পক্ষে সাফাই দিয়েছেন তিনি। সিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে পরাজয়ের দায় জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান অ্যাডমিরাল ড্যান কেইনের ওপরও পড়তে পারে বলে মনে করছেন হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তা। এদিকে, যুদ্ধের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষের কারণে ট্রাম্পের নজরদারিতে রয়েছেন হেগসেথ ও ড্যান কেইন এমন খবরও প্রকাশ করেছে আটলান্টিক সাময়িকী। এ পরিস্থিতিতে হেগসেথের বিরুদ্ধে ট্রাম্প কী সিদ্ধান্ত নেন এবং ডেমোক্র্যাটরা তদন্ত ও ইমপিচমেন্টের উদ্যোগ কতটা এগিয়ে নিতে পারেন, তা নিয়ে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। পাশাপাশি ইরানকে ঘিরে নতুন করে সামরিক অভিযান নাকি কূটনৈতিক সমঝোতা কোন পথে এগোবেন ট্রাম্প, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
ইরান যুদ্ধের প্রভাব এবং মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁকে দায়িত্বে রাখা হবে কি না, তা নিয়ে উপদেষ্টাদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে, নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য হেগসেথকে দায়ী করছেন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের একাংশ। আগামী সপ্তাহে তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবে ভোট হতে পারে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছে। গালফ নিউজের ৫ নভেম্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর হেগসেথের দায়িত্বে থাকা নিয়ে উপদেষ্টাদের মতামত নিচ্ছেন ট্রাম্প। এ বিষয়ে তিনি সরাসরি সাক্ষাৎ ও টেলিফোনে আলোচনা করেছেন বলে সিবিএস নিউজ একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে। তবে এখনো হেগসেথকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি প্রেসিডেন্ট। সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিসের নাম আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে, হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, হেগসেথের ওপর ট্রাম্পের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। প্রকাশ্যেও প্রেসিডেন্ট তাঁকে ভালো কাজ করছেন বলে প্রশংসা করেছেন।
আরও পড়ুন, ইসরাইলের নির্বাচনে আট আসন পেল মনসুর আব্বাসের দল
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের দায় হেগসেথের ওপর চাপাচ্ছেন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ও তাঁদের মিত্রদের কেউ কেউ। আগামী সপ্তাহে তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবে ভোট হতে পারে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান যুদ্ধের কারণেই নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয় হয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্পও স্বীকার করেছেন, নির্বাচনে পরাজয়ের অন্যতম কারণ ছিল ইরান যুদ্ধ। তবে যুদ্ধ পরিচালনায় নিজের ভূমিকার পক্ষে সাফাই দিয়েছেন তিনি। সিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে পরাজয়ের দায় জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান অ্যাডমিরাল ড্যান কেইনের ওপরও পড়তে পারে বলে মনে করছেন হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তা। এদিকে, যুদ্ধের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষের কারণে ট্রাম্পের নজরদারিতে রয়েছেন হেগসেথ ও ড্যান কেইন এমন খবরও প্রকাশ করেছে আটলান্টিক সাময়িকী। এ পরিস্থিতিতে হেগসেথের বিরুদ্ধে ট্রাম্প কী সিদ্ধান্ত নেন এবং ডেমোক্র্যাটরা তদন্ত ও ইমপিচমেন্টের উদ্যোগ কতটা এগিয়ে নিতে পারেন, তা নিয়ে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। পাশাপাশি ইরানকে ঘিরে নতুন করে সামরিক অভিযান নাকি কূটনৈতিক সমঝোতা কোন পথে এগোবেন ট্রাম্প, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
