যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় পরাজয়ের পেছনে ইরান যুদ্ধেরও ভূমিকা ছিল বলে স্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো অনুশোচনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উভয় কক্ষের মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে রিপাবলিকানরা বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়ে এবং কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারায়। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে মঙ্গলবার রাতে ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, রিপাবলিকানদের খারাপ ফলের পেছনে ইরান যুদ্ধের কোনো প্রভাব ছিল কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘ইরান যুদ্ধও এর একটি কারণ।’ তবে যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্তের দায় নিয়ে অনুশোচনা প্রকাশ করেননি ট্রাম্প। বরং এ সিদ্ধান্তের পেছনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। নির্বাচনে পরাজয়ের পর হেগসেথকে দায়িত্ব থেকে সরানো হবে কি না এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, তিনি মনে করেন হেগসেথ ভালো কাজ করছেন।
আরও পড়ুন,প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্পের দোটানা
তবে প্রশাসনের ভেতরে হেগসেথের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে ট্রাম্পের এক উপদেষ্টা। তাঁর মতে, যুদ্ধের জন্য কাউকে না কাউকে দায় নিতে হবে এবং হেগসেথকে বরখাস্তের বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে। এদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ইরান যুদ্ধের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, এই যুদ্ধের কারণে রিপাবলিকানদের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে হয়েছে। অন্যদিকে প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, ২০২৯ সালের ২০ জানুয়ারি ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দিন পর্যন্ত পেন্টাগনের নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়ে হেগসেথ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রিপাবলিকান সিনেটর টম টিলিসও হেগসেথের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন। তাঁর মতে, কংগ্রেসের সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর টানাপোড়েন প্রশাসনের প্রতিরক্ষা ব্যয়সংক্রান্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা তৈরি করছে। এর আগে ২০০৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইরাক যুদ্ধ নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষের জেরে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল। ওই নির্বাচনের পরদিনই তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডোনাল্ড রামসফেল্ডকে বরখাস্ত করেছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় পরাজয়ের পেছনে ইরান যুদ্ধেরও ভূমিকা ছিল বলে স্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো অনুশোচনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উভয় কক্ষের মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে রিপাবলিকানরা বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়ে এবং কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারায়। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে মঙ্গলবার রাতে ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, রিপাবলিকানদের খারাপ ফলের পেছনে ইরান যুদ্ধের কোনো প্রভাব ছিল কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘ইরান যুদ্ধও এর একটি কারণ।’ তবে যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্তের দায় নিয়ে অনুশোচনা প্রকাশ করেননি ট্রাম্প। বরং এ সিদ্ধান্তের পেছনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। নির্বাচনে পরাজয়ের পর হেগসেথকে দায়িত্ব থেকে সরানো হবে কি না এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, তিনি মনে করেন হেগসেথ ভালো কাজ করছেন।
আরও পড়ুন,প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্পের দোটানা
তবে প্রশাসনের ভেতরে হেগসেথের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে ট্রাম্পের এক উপদেষ্টা। তাঁর মতে, যুদ্ধের জন্য কাউকে না কাউকে দায় নিতে হবে এবং হেগসেথকে বরখাস্তের বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে। এদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ইরান যুদ্ধের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, এই যুদ্ধের কারণে রিপাবলিকানদের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে হয়েছে। অন্যদিকে প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, ২০২৯ সালের ২০ জানুয়ারি ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দিন পর্যন্ত পেন্টাগনের নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়ে হেগসেথ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রিপাবলিকান সিনেটর টম টিলিসও হেগসেথের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন। তাঁর মতে, কংগ্রেসের সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর টানাপোড়েন প্রশাসনের প্রতিরক্ষা ব্যয়সংক্রান্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা তৈরি করছে। এর আগে ২০০৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইরাক যুদ্ধ নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষের জেরে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল। ওই নির্বাচনের পরদিনই তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডোনাল্ড রামসফেল্ডকে বরখাস্ত করেছিলেন।
