যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী বিবেক রামাস্বামীকে পরাজিত করে জয়ী হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অ্যামি অ্যাকটন। এর মধ্য দিয়ে অঙ্গরাজ্যটির ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত নারী গভর্নর হতে যাচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো ওহাইওর গভর্নর পদে জয় পেলেন কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অ্যাকটনের জয় ঘোষণা করে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো। রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর এ জয় ওহাইওর রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। পেশায় চিকিৎসক অ্যাকটন এর আগে রিপাবলিকান গভর্নর মাইক ডিওয়াইনের প্রশাসনে ওহাইও অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। করোনাভাইরাস মহামারির সময় অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় তাঁর ভূমিকা ব্যাপক আলোচনায় আসে।
আরও পড়ুন,যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতার সমীকরণে বড় পরিবর্তন
তবে ওই সময়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচনি প্রচারে তাঁকে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে। এবারের নির্বাচনে দুই প্রার্থীর প্রচারে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। প্রচার ব্যয় ১০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় নির্বাচনটি অঙ্গরাজ্যের ইতিহাসে অন্যতম ব্যয়বহুল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিণত হয়। প্রচারের শেষ দিকে অ্যাকটনের ব্যক্তিগত জীবনকে কেন্দ্র করে একটি বিতর্কিত বিজ্ঞাপন প্রচার করে রামাস্বামীর নির্বাচনি শিবির। বিজ্ঞাপনটি নিয়ে দুই দলের নেতাদের মধ্যেও সমালোচনা তৈরি হয়। নির্বাচনে জয়ী হয়ে অ্যাকটন দীর্ঘদিনের রিপাবলিকান আধিপত্যের অবসান ঘটিয়েছেন। ২০০৬ সালে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী টেড স্ট্রিকল্যান্ডের জয়ের পর এই প্রথম দলটি ওহাইওর গভর্নর পদ ফিরে পেল। এর আগে ১৯৯৯ সালে তৎকালীন লেফটেন্যান্ট গভর্নর ন্যান্সি হলিস্টার ১১ দিনের জন্য গভর্নরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে অ্যাকটনই অঙ্গরাজ্যটির প্রথম নারী, যিনি নির্বাচনের মাধ্যমে এ পদে জয়ী হলেন। অ্যাকটনের এ জয় যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাটদের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী বিবেক রামাস্বামীকে পরাজিত করে জয়ী হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অ্যামি অ্যাকটন। এর মধ্য দিয়ে অঙ্গরাজ্যটির ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত নারী গভর্নর হতে যাচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো ওহাইওর গভর্নর পদে জয় পেলেন কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অ্যাকটনের জয় ঘোষণা করে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো। রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর এ জয় ওহাইওর রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। পেশায় চিকিৎসক অ্যাকটন এর আগে রিপাবলিকান গভর্নর মাইক ডিওয়াইনের প্রশাসনে ওহাইও অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। করোনাভাইরাস মহামারির সময় অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় তাঁর ভূমিকা ব্যাপক আলোচনায় আসে।
আরও পড়ুন,যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতার সমীকরণে বড় পরিবর্তন
তবে ওই সময়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচনি প্রচারে তাঁকে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে। এবারের নির্বাচনে দুই প্রার্থীর প্রচারে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। প্রচার ব্যয় ১০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় নির্বাচনটি অঙ্গরাজ্যের ইতিহাসে অন্যতম ব্যয়বহুল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিণত হয়। প্রচারের শেষ দিকে অ্যাকটনের ব্যক্তিগত জীবনকে কেন্দ্র করে একটি বিতর্কিত বিজ্ঞাপন প্রচার করে রামাস্বামীর নির্বাচনি শিবির। বিজ্ঞাপনটি নিয়ে দুই দলের নেতাদের মধ্যেও সমালোচনা তৈরি হয়। নির্বাচনে জয়ী হয়ে অ্যাকটন দীর্ঘদিনের রিপাবলিকান আধিপত্যের অবসান ঘটিয়েছেন। ২০০৬ সালে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী টেড স্ট্রিকল্যান্ডের জয়ের পর এই প্রথম দলটি ওহাইওর গভর্নর পদ ফিরে পেল। এর আগে ১৯৯৯ সালে তৎকালীন লেফটেন্যান্ট গভর্নর ন্যান্সি হলিস্টার ১১ দিনের জন্য গভর্নরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে অ্যাকটনই অঙ্গরাজ্যটির প্রথম নারী, যিনি নির্বাচনের মাধ্যমে এ পদে জয়ী হলেন। অ্যাকটনের এ জয় যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাটদের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
