এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি অবিলম্বে গ্যাস সিলিন্ডারের বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, অবৈধ সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিতেই সরকার আবারও অযৌক্তিকভাবে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়েছে। তার দাবি, বিএনপি ক্ষমতায় আসার মাত্র আট মাসের মাথায় সিলিন্ডার গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তিনি বলেন, দফায় দফায় দাম বাড়ানো হলেও এর পেছনে সরকার কোনো যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারেনি। অথচ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে বাংলাদেশের তুলনায় অর্ধেক দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি হচ্ছে। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও অভিযোগ করেন, সরকার নির্ধারিত দামে দেশের কোথাও সিলিন্ডার গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন,টিআইবিকে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জামায়াতের
এতদিন নির্ধারিত দামের চেয়ে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে। নাহিদ ইসলামের ভাষ্য, সিলিন্ডার গ্যাসের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। সরকারের অযোগ্যতার কারণে দেশের ১৮ কোটি মানুষ গুটিকয়েক কোম্পানির কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। তিনি গ্যাস সিলিন্ডারের অযৌক্তিক ও অবৈধ মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে নতুন দাম প্রত্যাহারের দাবি জানান। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বিইআরসি। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৫ দশমিক ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৯৪৪ টাকা, ১৫ কেজির ২ হাজার ৫৭৫ টাকা এবং ২০ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪৩৪ টাকা। নতুন এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি অবিলম্বে গ্যাস সিলিন্ডারের বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, অবৈধ সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিতেই সরকার আবারও অযৌক্তিকভাবে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়েছে। তার দাবি, বিএনপি ক্ষমতায় আসার মাত্র আট মাসের মাথায় সিলিন্ডার গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তিনি বলেন, দফায় দফায় দাম বাড়ানো হলেও এর পেছনে সরকার কোনো যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারেনি। অথচ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে বাংলাদেশের তুলনায় অর্ধেক দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি হচ্ছে। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও অভিযোগ করেন, সরকার নির্ধারিত দামে দেশের কোথাও সিলিন্ডার গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন,টিআইবিকে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জামায়াতের
এতদিন নির্ধারিত দামের চেয়ে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে। নাহিদ ইসলামের ভাষ্য, সিলিন্ডার গ্যাসের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। সরকারের অযোগ্যতার কারণে দেশের ১৮ কোটি মানুষ গুটিকয়েক কোম্পানির কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। তিনি গ্যাস সিলিন্ডারের অযৌক্তিক ও অবৈধ মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে নতুন দাম প্রত্যাহারের দাবি জানান। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বিইআরসি। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৫ দশমিক ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৯৪৪ টাকা, ১৫ কেজির ২ হাজার ৫৭৫ টাকা এবং ২০ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪৩৪ টাকা। নতুন এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
