কেপটাউন টেস্টের রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে ইতিহাস গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজ নির্ধারণী টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ১৭৬ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে প্রোটিয়ারা। একই সঙ্গে ১০ বছর পর আবারও টেস্ট র্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। জয়ের জন্য ২৮৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে পঞ্চম দিন ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন নাথান লায়ন।অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসের মূল কারিগর ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার সিমন হারমার। মাত্র ১৬ রান খরচায় ৬ উইকেট তুলে নিয়ে অজিদের ইনিংস গুটিয়ে দেন তিনি। এদিন শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখেন পেসার কাগিসো রাবাদা। প্রথম ওভারেই তুলে নেন দুটি উইকেট। পরে আরও একটি উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ৩৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই প্রোটিয়া পেসার। মাত্র ১৩ হাজার ৮০৮ বল করে এই মাইলফলক অর্জন করে বলের হিসাবে দ্রুততম ৩৫০ উইকেটের রেকর্ড গড়েন তিনি।
আরও পড়ুন,শেষ সময়ে গোল হজম করে জয় হারাল বায়ার্ন
এর আগে রেকর্ডটি ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক পেসার ডেল স্টেইনের দখলে। এর আগে প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রান সংগ্রহ করে। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ৪২৯ রান তুলে ১০০ রানের লিড নেয়। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৮৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে সেখান থেকে দলকে ঘুরে দাঁড় করান রায়ান রিকেলটন ও উইয়ান মুল্ডার। রিকেলটন ২১৯ বলে ১২টি চারের সাহায্যে করেন ১০১ রান। অন্যদিকে মুল্ডার ২২১ বলে ১০টি চার ও ৪টি ছক্কায় খেলেন ১১৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। এছাড়া মার্কেস অ্যাকারম্যান করেন ৬২ রান এবং ম্যাথু ব্রিটজকে করেন ৪৩ রান। অধিনায়ক টেম্বা বাভুমার ব্যাট থেকে আসে ৩৫ রান। তাদের ব্যাটিং দৃঢ়তায় দ্বিতীয় ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়ে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ২৮৮ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ পর্যন্ত হারমারের ঘূর্ণি ও রাবাদার পেস আক্রমণে সেই লক্ষ্য পেরোতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ২০১৬ সালের জানুয়ারির পর আবারও টেস্ট র্যাংকিংয়ের শীর্ষে ফিরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
বিষয় : অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
কেপটাউন টেস্টের রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে ইতিহাস গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজ নির্ধারণী টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ১৭৬ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে প্রোটিয়ারা। একই সঙ্গে ১০ বছর পর আবারও টেস্ট র্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। জয়ের জন্য ২৮৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে পঞ্চম দিন ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন নাথান লায়ন।অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসের মূল কারিগর ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার সিমন হারমার। মাত্র ১৬ রান খরচায় ৬ উইকেট তুলে নিয়ে অজিদের ইনিংস গুটিয়ে দেন তিনি। এদিন শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখেন পেসার কাগিসো রাবাদা। প্রথম ওভারেই তুলে নেন দুটি উইকেট। পরে আরও একটি উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ৩৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই প্রোটিয়া পেসার। মাত্র ১৩ হাজার ৮০৮ বল করে এই মাইলফলক অর্জন করে বলের হিসাবে দ্রুততম ৩৫০ উইকেটের রেকর্ড গড়েন তিনি।
আরও পড়ুন,শেষ সময়ে গোল হজম করে জয় হারাল বায়ার্ন
এর আগে রেকর্ডটি ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক পেসার ডেল স্টেইনের দখলে। এর আগে প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রান সংগ্রহ করে। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ৪২৯ রান তুলে ১০০ রানের লিড নেয়। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৮৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে সেখান থেকে দলকে ঘুরে দাঁড় করান রায়ান রিকেলটন ও উইয়ান মুল্ডার। রিকেলটন ২১৯ বলে ১২টি চারের সাহায্যে করেন ১০১ রান। অন্যদিকে মুল্ডার ২২১ বলে ১০টি চার ও ৪টি ছক্কায় খেলেন ১১৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। এছাড়া মার্কেস অ্যাকারম্যান করেন ৬২ রান এবং ম্যাথু ব্রিটজকে করেন ৪৩ রান। অধিনায়ক টেম্বা বাভুমার ব্যাট থেকে আসে ৩৫ রান। তাদের ব্যাটিং দৃঢ়তায় দ্বিতীয় ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়ে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ২৮৮ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ পর্যন্ত হারমারের ঘূর্ণি ও রাবাদার পেস আক্রমণে সেই লক্ষ্য পেরোতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ২০১৬ সালের জানুয়ারির পর আবারও টেস্ট র্যাংকিংয়ের শীর্ষে ফিরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

আপনার মতামত লিখুন