ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার কুশমাইল মধ্যপাড়া ইনছানিয়া মাদ্রাসার নামে দান করা জমির একাংশ দখলে থাকার অভিযোগ উঠেছে। ওই জমি দখলমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন মাদ্রাসার সেক্রেটারি মো. খাইরুল ইসলাম। জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭৮ সালের ১৬ মার্চ ১৪৪১ নম্বর দলিলের মাধ্যমে কুশমাইল মধ্যপাড়া ইনছানিয়া মাদ্রাসার নামে ১২৪৩ দাগে ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি দান করা হয়। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, দান করা ওই জমির একাংশ বর্তমানে বেদখল রয়েছে। মাদ্রাসা-সংলগ্ন নিউগী কুশমাইল মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওই জমির একটি অংশ দখলে রেখেছেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন,নিরাপদ সড়কের অভ্যাস গড়তে সাতক্ষীরায় শিক্ষার্থীদের সচেতন করছে বিআরটিএ
আবেদনে আরও বলা হয়, ১৯৭৫ সাল থেকে মাদ্রাসাটিতে দ্বীনি শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। শুরুতে ৩২ হাত দৈর্ঘ্য ও ৮ হাত প্রস্থের একটি চৌচালা টিনশেড ঘরে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও প্রয়োজনীয় শ্রেণিকক্ষের সংকট দেখা দিয়েছে। নতুন শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের জন্য জায়গার প্রয়োজন হলেও জমির একাংশ বেদখলে থাকায় নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে দাবি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের। এ অবস্থায় জমির কাগজপত্র যাচাই করে সরেজমিনে তদন্তের মাধ্যমে মাদ্রাসার নামে দান করা জমি দখলমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আবেদনকারী। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার কুশমাইল মধ্যপাড়া ইনছানিয়া মাদ্রাসার নামে দান করা জমির একাংশ দখলে থাকার অভিযোগ উঠেছে। ওই জমি দখলমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন মাদ্রাসার সেক্রেটারি মো. খাইরুল ইসলাম। জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭৮ সালের ১৬ মার্চ ১৪৪১ নম্বর দলিলের মাধ্যমে কুশমাইল মধ্যপাড়া ইনছানিয়া মাদ্রাসার নামে ১২৪৩ দাগে ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি দান করা হয়। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, দান করা ওই জমির একাংশ বর্তমানে বেদখল রয়েছে। মাদ্রাসা-সংলগ্ন নিউগী কুশমাইল মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওই জমির একটি অংশ দখলে রেখেছেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন,নিরাপদ সড়কের অভ্যাস গড়তে সাতক্ষীরায় শিক্ষার্থীদের সচেতন করছে বিআরটিএ
আবেদনে আরও বলা হয়, ১৯৭৫ সাল থেকে মাদ্রাসাটিতে দ্বীনি শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। শুরুতে ৩২ হাত দৈর্ঘ্য ও ৮ হাত প্রস্থের একটি চৌচালা টিনশেড ঘরে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও প্রয়োজনীয় শ্রেণিকক্ষের সংকট দেখা দিয়েছে। নতুন শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের জন্য জায়গার প্রয়োজন হলেও জমির একাংশ বেদখলে থাকায় নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে দাবি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের। এ অবস্থায় জমির কাগজপত্র যাচাই করে সরেজমিনে তদন্তের মাধ্যমে মাদ্রাসার নামে দান করা জমি দখলমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আবেদনকারী। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন