তাইওয়ানকে চীনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ৮১তম বার্ষিকী উপলক্ষে তাইওয়ান প্রণালীর উভয় পাশে স্মারক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে জাপানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে চীনা জনগণের ঐতিহাসিক প্রতিরোধের কথা স্মরণ করা হয়। পাশাপাশি তাইওয়ানকে চীনের সঙ্গে পুনরেকত্রীকরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের তাইওয়ানবিষয়ক কার্যালয়ের মুখপাত্র শেন বিনহুয়া এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ২৫ অক্টোবর ফুচিয়ান প্রদেশের ফুচৌতে তাইওয়ানকে জাপানি শাসন থেকে চীনের কাছে ফিরিয়ে আনার ৮১তম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। এতে তাইওয়ান প্রণালীর উভয় পাশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা ‘তাইওয়ান পুনরুদ্ধার দিবস’ প্রতিষ্ঠার তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং জাপানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে চীনা জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ইতিহাস স্মরণ করেন।
আরও পড়ুন,হামলা হলে মার্কিন সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের
শেন বিনহুয়া আরও বলেন, প্রণালীর উভয় পাশের মানুষের উচিত ইতিহাস মনে রাখা এবং তাইওয়ান পুনরুদ্ধারের অর্জন রক্ষায় একসঙ্গে কাজ করা। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৮৯৪ সালের চীন-জাপান যুদ্ধের পর ১৮৯৫ সালে তাইওয়ান ও পেংহু দ্বীপপুঞ্জ জাপানের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এরপর প্রায় পাঁচ দশক দ্বীপটি জাপানি ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে জাপানের আত্মসমর্পণের পর তাইওয়ানের নিয়ন্ত্রণ চীনা প্রজাতন্ত্রের কাছে হস্তান্তর করা হয়। চীনের পক্ষ থেকে ১৯৪৫ সালের এই ঘটনাকে জাপানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিজয় এবং তাইওয়ান পুনরুদ্ধার হিসেবে স্মরণ করা হয়। ২০২৫ সালের অক্টোবরে চীনের জাতীয় আইনসভা ২৫ অক্টোবরকে ‘তাইওয়ান পুনরুদ্ধার দিবস’ হিসেবে নির্ধারণ করে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
তাইওয়ানকে চীনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ৮১তম বার্ষিকী উপলক্ষে তাইওয়ান প্রণালীর উভয় পাশে স্মারক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে জাপানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে চীনা জনগণের ঐতিহাসিক প্রতিরোধের কথা স্মরণ করা হয়। পাশাপাশি তাইওয়ানকে চীনের সঙ্গে পুনরেকত্রীকরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের তাইওয়ানবিষয়ক কার্যালয়ের মুখপাত্র শেন বিনহুয়া এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ২৫ অক্টোবর ফুচিয়ান প্রদেশের ফুচৌতে তাইওয়ানকে জাপানি শাসন থেকে চীনের কাছে ফিরিয়ে আনার ৮১তম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। এতে তাইওয়ান প্রণালীর উভয় পাশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা ‘তাইওয়ান পুনরুদ্ধার দিবস’ প্রতিষ্ঠার তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং জাপানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে চীনা জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ইতিহাস স্মরণ করেন।
আরও পড়ুন,হামলা হলে মার্কিন সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের
শেন বিনহুয়া আরও বলেন, প্রণালীর উভয় পাশের মানুষের উচিত ইতিহাস মনে রাখা এবং তাইওয়ান পুনরুদ্ধারের অর্জন রক্ষায় একসঙ্গে কাজ করা। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৮৯৪ সালের চীন-জাপান যুদ্ধের পর ১৮৯৫ সালে তাইওয়ান ও পেংহু দ্বীপপুঞ্জ জাপানের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এরপর প্রায় পাঁচ দশক দ্বীপটি জাপানি ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে জাপানের আত্মসমর্পণের পর তাইওয়ানের নিয়ন্ত্রণ চীনা প্রজাতন্ত্রের কাছে হস্তান্তর করা হয়। চীনের পক্ষ থেকে ১৯৪৫ সালের এই ঘটনাকে জাপানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিজয় এবং তাইওয়ান পুনরুদ্ধার হিসেবে স্মরণ করা হয়। ২০২৫ সালের অক্টোবরে চীনের জাতীয় আইনসভা ২৫ অক্টোবরকে ‘তাইওয়ান পুনরুদ্ধার দিবস’ হিসেবে নির্ধারণ করে।

আপনার মতামত লিখুন