জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার জাপানের স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে টোকিওতে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। এর আগে স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তাঁকে স্বাগত জানান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।পরে তারেক রহমানকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী শীর্ষ বৈঠকে বসেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন,টিকিটের চাহিদার তুলনায় অনলাইন সার্ভারে বিপুল চাপ
দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন সহযোগিতার মতো বিষয়গুলোও এ সফরের প্রেক্ষাপটে গুরুত্ব পাচ্ছে। শীর্ষ বৈঠক শেষে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী যৌথ বিবৃতিতে অংশ নেন। এরপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্যে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক ভোজে অংশ নেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে দুই দেশের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রধানমন্ত্রীর এ সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। তবে শীর্ষ বৈঠকে আলোচিত বিষয় এবং যৌথ বিবৃতিতে নেওয়া সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হলে দুই দেশের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও স্পষ্ট হবে।
বিষয় : জাপান প্রধানমন্ত্রী সফরে

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার জাপানের স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে টোকিওতে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। এর আগে স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তাঁকে স্বাগত জানান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।পরে তারেক রহমানকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী শীর্ষ বৈঠকে বসেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন,টিকিটের চাহিদার তুলনায় অনলাইন সার্ভারে বিপুল চাপ
দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন সহযোগিতার মতো বিষয়গুলোও এ সফরের প্রেক্ষাপটে গুরুত্ব পাচ্ছে। শীর্ষ বৈঠক শেষে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী যৌথ বিবৃতিতে অংশ নেন। এরপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্যে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক ভোজে অংশ নেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে দুই দেশের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রধানমন্ত্রীর এ সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। তবে শীর্ষ বৈঠকে আলোচিত বিষয় এবং যৌথ বিবৃতিতে নেওয়া সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হলে দুই দেশের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও স্পষ্ট হবে।

আপনার মতামত লিখুন