চলতি মাসের বেতন বিল দাখিলের প্রক্রিয়া ও আইবাস++ (iBAS++) সিস্টেমের কারিগরি জটিলতা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন দেশের সরকারি কর্মচারীদের একটি বড় অংশ। সিস্টেমে প্রয়োজনীয় ফিচার চালু না হওয়া, নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ এবং বিল দাখিলের নির্দিষ্ট সময়সূচি সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা না থাকায় এই উদ্বেগ দিন দিন আরও বাড়ছে। বাংলাদেশ সার্ভিস রুলসের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেতন বিল দাখিলের প্রয়োজনীয় ফিচার চালু না থাকা কিংবা সিস্টেমে প্রবেশ করেও বিল জমা দিতে না পারার মতো নানা সমস্যায় পড়ছেন কর্মচারীরা। তাদের প্রধান প্রশ্ন কবে নাগাদ অনলাইনে বেতন বিল দাখিল করা যাবে এবং বিল জমা দেওয়ার পর কত দিনের মধ্যে ব্যাংক হিসাবে বেতন পাওয়া সম্ভব হবে। সরকারি কর্মচারীদের মাসিক বেতন পরিশোধের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ে বিল প্রস্তুত ও যাচাই-বাছাই করে জমা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আইবাস++ সিস্টেমে বিল জমা দেওয়ার বর্তমান জটিলতা পুরো প্রক্রিয়াটিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন,নভেম্বর থেকে চালু হচ্ছে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ
এদিকে নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ ও পরিশোধ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তবে চলতি মাসের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী পরিশোধ করা হবে কি না, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, বেতন নির্ধারণের প্রস্তুতি এবং আইবাস++ সিস্টেমে নতুন কাঠামোর উপাত্ত অন্তর্ভুক্তির ওপর। অবশ্য সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বেতন বিল দাখিলে কিছুটা বিলম্ব হলেই নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়া নিয়ে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। এই পরিস্থিতিতে কর্মচারীরা জটিলতার দ্রুত অবসান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা প্রত্যাশা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া না যাওয়ায় চলতি মাসে নতুন কাঠামোতে বেতন মিলবে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।
বিষয় : বেতন প্রতীক্ষায় কর্মচারীরা

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
চলতি মাসের বেতন বিল দাখিলের প্রক্রিয়া ও আইবাস++ (iBAS++) সিস্টেমের কারিগরি জটিলতা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন দেশের সরকারি কর্মচারীদের একটি বড় অংশ। সিস্টেমে প্রয়োজনীয় ফিচার চালু না হওয়া, নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ এবং বিল দাখিলের নির্দিষ্ট সময়সূচি সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা না থাকায় এই উদ্বেগ দিন দিন আরও বাড়ছে। বাংলাদেশ সার্ভিস রুলসের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেতন বিল দাখিলের প্রয়োজনীয় ফিচার চালু না থাকা কিংবা সিস্টেমে প্রবেশ করেও বিল জমা দিতে না পারার মতো নানা সমস্যায় পড়ছেন কর্মচারীরা। তাদের প্রধান প্রশ্ন কবে নাগাদ অনলাইনে বেতন বিল দাখিল করা যাবে এবং বিল জমা দেওয়ার পর কত দিনের মধ্যে ব্যাংক হিসাবে বেতন পাওয়া সম্ভব হবে। সরকারি কর্মচারীদের মাসিক বেতন পরিশোধের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ে বিল প্রস্তুত ও যাচাই-বাছাই করে জমা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আইবাস++ সিস্টেমে বিল জমা দেওয়ার বর্তমান জটিলতা পুরো প্রক্রিয়াটিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন,নভেম্বর থেকে চালু হচ্ছে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ
এদিকে নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ ও পরিশোধ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তবে চলতি মাসের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী পরিশোধ করা হবে কি না, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, বেতন নির্ধারণের প্রস্তুতি এবং আইবাস++ সিস্টেমে নতুন কাঠামোর উপাত্ত অন্তর্ভুক্তির ওপর। অবশ্য সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বেতন বিল দাখিলে কিছুটা বিলম্ব হলেই নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়া নিয়ে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। এই পরিস্থিতিতে কর্মচারীরা জটিলতার দ্রুত অবসান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা প্রত্যাশা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া না যাওয়ায় চলতি মাসে নতুন কাঠামোতে বেতন মিলবে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।

আপনার মতামত লিখুন