বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানি অব্যাহত রাখতে মোট ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের অনমনীয় বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার।বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে স্ট্যান্ডিং কমিটি অন নন-কনসেশনাল লোনের সভায় এসব ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ বা ইআরডি সূত্র জানায়, অনুমোদিত ঋণের মধ্যে বিদ্যুৎ খাতের একটি প্রকল্পে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি থেকে ২০০ মিলিয়ন ডলার এবং জরুরি জ্বালানি আমদানির জন্য ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স কর্পোরেশন বা আইটিএফসি থেকে ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার রয়েছে।এডিবির ২০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এনহান্সমেন্ট প্রজেক্টে। প্রকল্পের আওতায় ঢাকা শহরের আশপাশের ১৩টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হবে।নতুন ও বিদ্যমান উপকেন্দ্র সম্প্রসারণের পাশাপাশি আন্ডারগ্রাউন্ড ও ওভারহেড বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ এবং ইনসুলেটেড কন্ডাক্টর স্থাপন করা হবে।
আরও পড়ুন,পাঁচ বছরের প্রেমের পর বিয়ে বিচ্ছেদে শেষ প্রীতম-শেহতাজের সংসার
পাশাপাশি ডিজিটাল মনিটরিং ও ফল্ট লোকেটর প্রযুক্তি যুক্ত করে কারিগরি লোকসান কমানো এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের মান ও নিরবচ্ছিন্নতা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।এডিবির ঋণের মেয়াদ ২৫ বছর। এর মধ্যে পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড। তবে ঋণটির গ্রান্ট এলিমেন্ট মাত্র ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ হওয়ায় এটি অনমনীয় ঋণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।অন্যদিকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানির জন্য আইটিএফসি থেকে ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের স্বল্পমেয়াদি ঋণ নেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের জ্বালানি তেল আমদানিতে ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার এবং পেট্রোবাংলার এলএনজি আমদানিতে ৬০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে।ছয় মাস মেয়াদি এই ঋণের সুদের হার ছয় মাসের টার্ম এসওএফআরের সঙ্গে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ যোগ করে নির্ধারণ করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি করে দেশের সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতেই এই ঋণ নেওয়া হচ্ছে।সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অনমনীয় বৈদেশিক ঋণের ডেবট সার্ভিসিং ব্যয় রপ্তানি আয় ও রাজস্ব আয়ের নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখার পাশাপাশি মোট বৈদেশিক ঋণের স্থিতি জিডিপির ১০ শতাংশের মধ্যে রাখার শর্ত রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানি অব্যাহত রাখতে মোট ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের অনমনীয় বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার।বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে স্ট্যান্ডিং কমিটি অন নন-কনসেশনাল লোনের সভায় এসব ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ বা ইআরডি সূত্র জানায়, অনুমোদিত ঋণের মধ্যে বিদ্যুৎ খাতের একটি প্রকল্পে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি থেকে ২০০ মিলিয়ন ডলার এবং জরুরি জ্বালানি আমদানির জন্য ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স কর্পোরেশন বা আইটিএফসি থেকে ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার রয়েছে।এডিবির ২০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এনহান্সমেন্ট প্রজেক্টে। প্রকল্পের আওতায় ঢাকা শহরের আশপাশের ১৩টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হবে।নতুন ও বিদ্যমান উপকেন্দ্র সম্প্রসারণের পাশাপাশি আন্ডারগ্রাউন্ড ও ওভারহেড বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ এবং ইনসুলেটেড কন্ডাক্টর স্থাপন করা হবে।
আরও পড়ুন,পাঁচ বছরের প্রেমের পর বিয়ে বিচ্ছেদে শেষ প্রীতম-শেহতাজের সংসার
পাশাপাশি ডিজিটাল মনিটরিং ও ফল্ট লোকেটর প্রযুক্তি যুক্ত করে কারিগরি লোকসান কমানো এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের মান ও নিরবচ্ছিন্নতা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।এডিবির ঋণের মেয়াদ ২৫ বছর। এর মধ্যে পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড। তবে ঋণটির গ্রান্ট এলিমেন্ট মাত্র ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ হওয়ায় এটি অনমনীয় ঋণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।অন্যদিকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানির জন্য আইটিএফসি থেকে ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের স্বল্পমেয়াদি ঋণ নেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের জ্বালানি তেল আমদানিতে ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার এবং পেট্রোবাংলার এলএনজি আমদানিতে ৬০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে।ছয় মাস মেয়াদি এই ঋণের সুদের হার ছয় মাসের টার্ম এসওএফআরের সঙ্গে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ যোগ করে নির্ধারণ করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি করে দেশের সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতেই এই ঋণ নেওয়া হচ্ছে।সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অনমনীয় বৈদেশিক ঋণের ডেবট সার্ভিসিং ব্যয় রপ্তানি আয় ও রাজস্ব আয়ের নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখার পাশাপাশি মোট বৈদেশিক ঋণের স্থিতি জিডিপির ১০ শতাংশের মধ্যে রাখার শর্ত রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন