ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত প্রাঙ্গণ থেকে হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছেন শরিফুল ইসলাম নামে এক বিচারাধীন আসামি। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালতে হাজিরা শেষে হাজতখানায় নেওয়ার পথে কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান তিনি।এর আগে ২০২৫ সালের জুন মাসেও আদালত প্রাঙ্গণে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের মারধর করে হাতকড়া খুলে পালিয়েছিলেন শরিফুল। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কোতোয়ালি থানার একটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকায় শরিফুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। হাজিরা শেষে হাজতখানায় নেওয়ার সময় তিনি হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান।আদালত ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৯ জুন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের আঘাত ও মারধর করে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান শরিফুল।
আরও পড়ুন, রাজধানীতে চার দিনে ৪১ চাঁদাবাজ গ্রেপ্তার: ডিএমপি
ওই ঘটনায় সেদিনই হাজতখানার তৎকালীন ইনচার্জ মো. রিপন মোল্লা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।পরে গ্রেপ্তার হওয়া শরিফুলকে ওই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য মঙ্গলবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালতে হাজির করা হয়। তবে সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় এদিন সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি।শুনানি শেষে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের কনস্টেবল আব্দুল আলিম শরিফুলকে এজলাস থেকে হাজতখানার দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ কৌশলে হাতকড়া খুলে আদালত চত্বর থেকে পালিয়ে যান তিনি।ঘটনার পর আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পলাতক আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে কীভাবে একজন বিচারাধীন আসামি আদালত প্রাঙ্গণ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো হাতকড়া খুলে পালানোর সুযোগ পেলেন, তা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত প্রাঙ্গণ থেকে হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছেন শরিফুল ইসলাম নামে এক বিচারাধীন আসামি। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালতে হাজিরা শেষে হাজতখানায় নেওয়ার পথে কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান তিনি।এর আগে ২০২৫ সালের জুন মাসেও আদালত প্রাঙ্গণে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের মারধর করে হাতকড়া খুলে পালিয়েছিলেন শরিফুল। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কোতোয়ালি থানার একটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকায় শরিফুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। হাজিরা শেষে হাজতখানায় নেওয়ার সময় তিনি হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান।আদালত ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৯ জুন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের আঘাত ও মারধর করে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান শরিফুল।
আরও পড়ুন, রাজধানীতে চার দিনে ৪১ চাঁদাবাজ গ্রেপ্তার: ডিএমপি
ওই ঘটনায় সেদিনই হাজতখানার তৎকালীন ইনচার্জ মো. রিপন মোল্লা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।পরে গ্রেপ্তার হওয়া শরিফুলকে ওই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য মঙ্গলবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালতে হাজির করা হয়। তবে সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় এদিন সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি।শুনানি শেষে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের কনস্টেবল আব্দুল আলিম শরিফুলকে এজলাস থেকে হাজতখানার দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ কৌশলে হাতকড়া খুলে আদালত চত্বর থেকে পালিয়ে যান তিনি।ঘটনার পর আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পলাতক আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে কীভাবে একজন বিচারাধীন আসামি আদালত প্রাঙ্গণ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো হাতকড়া খুলে পালানোর সুযোগ পেলেন, তা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন