আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের পক্ষে গুমের মামলায় আইনজীবী হিসেবে লড়তে আবেদন করেছেন ব্রিটিশ আইনজীবী স্টিভেন কে সি। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তার আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে শতাধিক গুম ও হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ। মামলাটিতে মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের ১৫তম ও সর্বশেষ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেবেন।এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ১৫তম সাক্ষী হিসেবে রফিকুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে তিনি মামলার তদন্তকালে সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত, নথি ও আলামতের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরবেন।
আরও পড়ুন, মাদকের সাম্রাজ্য অটুট নেপথ্যের কারবারিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে
রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি ও আসামিপক্ষের জেরা শেষ হওয়ার পর জিয়াউল আহসানের পক্ষ থেকে সাফাই সাক্ষ্য উপস্থাপনের সুযোগ থাকবে। এরপর মামলায় যুক্তিতর্কের পর্যায় শুরু হবে।মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ২০১১ সালে গাজীপুরের পুবাইলে সজলসহ তিনজনকে হত্যার অভিযোগ এবং ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।এদিকে তার পক্ষে ব্রিটিশ আইনজীবী স্টিভেন কে সি-এর আবেদনকে মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় নতুন একটি আইনি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বার কাউন্সিলে আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিষয়টি এখন সামনে রয়েছে।মামলার পরবর্তী কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য, জেরা, আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্য এবং যুক্তিতর্কের মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের পক্ষে গুমের মামলায় আইনজীবী হিসেবে লড়তে আবেদন করেছেন ব্রিটিশ আইনজীবী স্টিভেন কে সি। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তার আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে শতাধিক গুম ও হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ। মামলাটিতে মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের ১৫তম ও সর্বশেষ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেবেন।এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ১৫তম সাক্ষী হিসেবে রফিকুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে তিনি মামলার তদন্তকালে সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত, নথি ও আলামতের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরবেন।
আরও পড়ুন, মাদকের সাম্রাজ্য অটুট নেপথ্যের কারবারিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে
রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি ও আসামিপক্ষের জেরা শেষ হওয়ার পর জিয়াউল আহসানের পক্ষ থেকে সাফাই সাক্ষ্য উপস্থাপনের সুযোগ থাকবে। এরপর মামলায় যুক্তিতর্কের পর্যায় শুরু হবে।মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ২০১১ সালে গাজীপুরের পুবাইলে সজলসহ তিনজনকে হত্যার অভিযোগ এবং ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।এদিকে তার পক্ষে ব্রিটিশ আইনজীবী স্টিভেন কে সি-এর আবেদনকে মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় নতুন একটি আইনি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বার কাউন্সিলে আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিষয়টি এখন সামনে রয়েছে।মামলার পরবর্তী কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য, জেরা, আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্য এবং যুক্তিতর্কের মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন