জামালপুর মাদারগঞ্জে প্রথম স্বামীকে তালাক না দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে শ্বশুরবাড়ীতে সংসারে টাঙ্গাইলের মেয়ে তাহমিনা । গত ৩ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বিকালে প্রথম স্বামী পুলিশ কর্মকর্তা এসআই মনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি মাদারগঞ্জ মডেল থানায় অবস্থান করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মাদারগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় ৫নং ওয়ার্ড মাঠ পাড়ার মাদারগঞ্জ উপজেলাকৃষকদলের সভাপতি বজলুর রশিদ বাবলু'র ছেলে স্বরণ মিয়ার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হোন বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।পরবর্তীতে ভুক্তভোগী (এসআই )মনোয়ার হোসেন সহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা তার বাড়ীতে গেলে এ বিষয়ে বজলুর রশিদ বাবলু কোন ধরনর কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি স্থানীয় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।এ বিষয়ে মনোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন দীর্ঘ সময় তার (তাহমিনা) সাথে পরিচয়। তিনি টেকনিক্যালে পড়ার সময় থেকে পরিচয় এবং সম্পর্ক জড়িয়ে পড়ি।
আরও পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৬ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ
পড়াশোনার খরচ বহন করতে ওর পরিবার অপারগ। তাই তার পড়াশোনার খরচ আমি বহন করি এবং বিভিন্ন সময় তাকে বিভিন্ন ভাবে তাকে অর্থ প্রদান করি। গত ০৯/০৯/২০২৬ ইং তারিখে বিবাহে আবদ্ধ হই।হঠাই কয়েক দিন যাবৎ তার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীতে খোজ নেওয়ার পর জানতে পারি গত ২৬/০৯/২০২৬ ইং তারিখে সে আবারো বিবাহে আবদ্ধ হয়েছে। আমার সাথে বিবাহের পরও আবারো কিভাবে সে বিবাহে আবদ্ধ হয় আমার বোধগম্য হয় না। আমার স্ত্রী ফেরত নেওয়ার জন্য আমি এখানে এসেছি। তার তথ্য দেওয়া তালিকা কললিস্ট, সিসিটিভি ফুটেজ, কাবিন নামা সহ বিভিন্ন তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে উপস্থাপন করেন।এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্নেহাশীষ রায়ের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন_ এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি আইনি প্রক্রিয়া চলছে, প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
জামালপুর মাদারগঞ্জে প্রথম স্বামীকে তালাক না দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে শ্বশুরবাড়ীতে সংসারে টাঙ্গাইলের মেয়ে তাহমিনা । গত ৩ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বিকালে প্রথম স্বামী পুলিশ কর্মকর্তা এসআই মনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি মাদারগঞ্জ মডেল থানায় অবস্থান করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মাদারগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় ৫নং ওয়ার্ড মাঠ পাড়ার মাদারগঞ্জ উপজেলাকৃষকদলের সভাপতি বজলুর রশিদ বাবলু'র ছেলে স্বরণ মিয়ার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হোন বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।পরবর্তীতে ভুক্তভোগী (এসআই )মনোয়ার হোসেন সহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা তার বাড়ীতে গেলে এ বিষয়ে বজলুর রশিদ বাবলু কোন ধরনর কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি স্থানীয় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।এ বিষয়ে মনোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন দীর্ঘ সময় তার (তাহমিনা) সাথে পরিচয়। তিনি টেকনিক্যালে পড়ার সময় থেকে পরিচয় এবং সম্পর্ক জড়িয়ে পড়ি।
আরও পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৬ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ
পড়াশোনার খরচ বহন করতে ওর পরিবার অপারগ। তাই তার পড়াশোনার খরচ আমি বহন করি এবং বিভিন্ন সময় তাকে বিভিন্ন ভাবে তাকে অর্থ প্রদান করি। গত ০৯/০৯/২০২৬ ইং তারিখে বিবাহে আবদ্ধ হই।হঠাই কয়েক দিন যাবৎ তার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীতে খোজ নেওয়ার পর জানতে পারি গত ২৬/০৯/২০২৬ ইং তারিখে সে আবারো বিবাহে আবদ্ধ হয়েছে। আমার সাথে বিবাহের পরও আবারো কিভাবে সে বিবাহে আবদ্ধ হয় আমার বোধগম্য হয় না। আমার স্ত্রী ফেরত নেওয়ার জন্য আমি এখানে এসেছি। তার তথ্য দেওয়া তালিকা কললিস্ট, সিসিটিভি ফুটেজ, কাবিন নামা সহ বিভিন্ন তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে উপস্থাপন করেন।এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্নেহাশীষ রায়ের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন_ এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি আইনি প্রক্রিয়া চলছে, প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন