জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘেরাও এবং পরবর্তী পুলিশি অভিযান ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের)। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয় ঘেরাও করা, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা সৃষ্টি করা কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তার বিবৃতির বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।জিএম কাদের বলেন, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রচলিত আইনের মাধ্যমে তার প্রতিকার করতে হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ২৬ সেপ্টেম্বর জাসদ কার্যালয়ে একটি সভা চলাকালে একদল লোক কার্যালয়টি ঘিরে অবস্থান নেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। পরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষকে হেফাজতে নেয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের পর ২৭৮ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল এবং পরিচয় যাচাই শেষে ২৪৯ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।পরবর্তীতে ২৭ জনকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয় এবং আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আড়ও পড়ুন,এনসিপির ২৩ সদস্যের সাংগঠনিক উপকমিটির প্রধান সারজিস আলম
২৮ সেপ্টেম্বর তাদের জামিন আবেদনও নামঞ্জুর করা হয়েছে।জিএম কাদেরের বিবৃতিতে বলা হয়, জাসদ নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই সভাটি ছিল দলের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিয়ে আয়োজন করা হয়েছিল। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওই কার্যালয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করছেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছিল।জিএম কাদের বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের সভায় বাধা দেওয়া এবং পরবর্তী পুলিশি অভিযান শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনের আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কোএনসিপির ২৩ সদস্যের সাংগঠনিক উপকমিটির প্রধান সারজিস আলমনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘেরাও এবং পরবর্তী পুলিশি অভিযান ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের)। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয় ঘেরাও করা, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা সৃষ্টি করা কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তার বিবৃতির বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।জিএম কাদের বলেন, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রচলিত আইনের মাধ্যমে তার প্রতিকার করতে হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ২৬ সেপ্টেম্বর জাসদ কার্যালয়ে একটি সভা চলাকালে একদল লোক কার্যালয়টি ঘিরে অবস্থান নেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। পরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষকে হেফাজতে নেয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের পর ২৭৮ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল এবং পরিচয় যাচাই শেষে ২৪৯ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।পরবর্তীতে ২৭ জনকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয় এবং আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আড়ও পড়ুন,এনসিপির ২৩ সদস্যের সাংগঠনিক উপকমিটির প্রধান সারজিস আলম
২৮ সেপ্টেম্বর তাদের জামিন আবেদনও নামঞ্জুর করা হয়েছে।জিএম কাদেরের বিবৃতিতে বলা হয়, জাসদ নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই সভাটি ছিল দলের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিয়ে আয়োজন করা হয়েছিল। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওই কার্যালয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করছেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছিল।জিএম কাদের বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের সভায় বাধা দেওয়া এবং পরবর্তী পুলিশি অভিযান শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনের আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কোএনসিপির ২৩ সদস্যের সাংগঠনিক উপকমিটির প্রধান সারজিস আলমনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন