দিন শেষে বাড়ি ফেরার অনুভূতিটা কেমন হবে? একটি ঠিকানা বেছে নেওয়ার সময় সম্ভবত এই প্রশ্নটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জানালার বাইরে যদি থাকে সবুজ, পাশে থাকে লেকের শান্ত আবহ আর চারপাশে ভবনের ভিড়ের বদলে থাকে খোলা জায়গা, তাহলে বাড়ি শুধু থাকার জায়গা থাকে না। ধীরে ধীরে সেটি হয়ে ওঠে নিজের মতো করে বাঁচার একটি পরিসর।
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লক এক্সটেনশনে ৯২ কাঠা জমির ওপর গড়ে উঠছে জেসিএক্স গ্র্যান্ড রেসিডেন্সেস। প্রকল্পটির পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে খোলা জায়গা, আলো-বাতাস ও সবুজের উপস্থিতিকে। মোট জায়গার প্রায় ৬০ শতাংশই রাখা হয়েছে খোলা। লেকের পাশের অবস্থান সেই আবাসনে যোগ করেছে বাড়তি প্রশান্তি।সকালের শুরু হতে পারে সবুজের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে। দিনের ব্যস্ততা শেষে কেউ হয়তো কিছুক্ষণ কাটাবেন লেকের ধারে, কেউ সময় দেবেন জিম কিংবা সুইমিং পুলে। কোনো সন্ধ্যায় কমিউনিটি হলে একসঙ্গে হতে পারেন প্রতিবেশীরা। টেনিস কোর্ট, জগিং এরিয়া, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও বারবিকিউ স্পেস—এসব সুবিধা তাই শুধু একটি আবাসন প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধার তালিকা নয়। বরং এগুলো এমন একটি জীবনযাপনের অংশ, যেখানে নিজের অ্যাপার্টমেন্টের বাইরেও রয়েছে সময় কাটানোর নিজস্ব পরিসর।
আড়ও পড়ুন,অযৌক্তিক দামে ডিম বিক্রি নয় যৌক্তিক মুনাফার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর
আবাসনটির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর অবস্থান। আশপাশে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল ও হাসপাতাল। কাছেই বসুন্ধরা গলফ এরিনা। মসজিদ আল মুস্তাফা হাঁটা দূরত্বে থাকায় দৈনন্দিন ধর্মীয় জীবনেও পাওয়া যায় বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য।এ ছাড়া ১০০ ফিট মাদানী এভিনিউ ও ৩০০ ফিট সড়কের সংযোগ থাকায় গুলশান, বারিধারা ও বিমানবন্দরমুখী যাতায়াতও তুলনামূলক সহজ। অর্থাৎ ঘরে ফিরলে পাওয়া যাবে নিরিবিলি আবাসিক পরিবেশ, আবার প্রয়োজন হলে শহরের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোও থাকবে সহজ নাগালে।গ্র্যান্ড রেসিডেন্সেসের পরিকল্পনায় গুরুত্ব পেয়েছে কমিউনিটি জীবনও। একটি ভালো আবাসনের অভিজ্ঞতা শুধু নিজের দরজার ভেতরে সীমাবদ্ধ থাকে না। সকালে পরিচিত মুখের সঙ্গে দেখা হওয়া, অবসরে প্রতিবেশীর সঙ্গে কথা বলা কিংবা কোনো আয়োজনে সবাই একসঙ্গে হওয়া—এমন ছোট ছোট মুহূর্ত থেকেই তৈরি হয় একটি জায়গার সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক।প্রশস্ত অ্যাপার্টমেন্ট, ২৬০টির বেশি পার্কিং সুবিধা এবং প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের কথা মাথায় রেখে পরিকল্পিত আবাসন—সব মিলিয়ে জেসিএক্স গ্র্যান্ড রেসিডেন্সেসে বড় পরিসরের অর্থ শুধু বেশি জায়গা নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য, খোলা পরিবেশ এবং প্রতিদিনের জীবনে প্রকৃতির উপস্থিতি।
সব মিলিয়ে জেসিএক্স গ্র্যান্ড রেসিডেন্সেসকে শুধু একটি কনডোমিনিয়াম হিসেবে দেখলে গল্পটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এটি এমন একটি ঠিকানার ভাবনা, যেখানে শহর প্রয়োজনের দূরত্বে থাকবে, অথচ ঘরে ফিরলে অপেক্ষা করবে সবুজ, খোলা আকাশ, লেকের শান্ত আবহ আর একটি পরিচিত কমিউনিটি।সময় গড়ানোর সঙ্গে যেখানে শুধু একটি বাড়ি নয়, নিজের মতো করে একটি জীবনও গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।
বিষয় : শান্তি রেসিডেন্সেস জেসিএক্স

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দিন শেষে বাড়ি ফেরার অনুভূতিটা কেমন হবে? একটি ঠিকানা বেছে নেওয়ার সময় সম্ভবত এই প্রশ্নটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জানালার বাইরে যদি থাকে সবুজ, পাশে থাকে লেকের শান্ত আবহ আর চারপাশে ভবনের ভিড়ের বদলে থাকে খোলা জায়গা, তাহলে বাড়ি শুধু থাকার জায়গা থাকে না। ধীরে ধীরে সেটি হয়ে ওঠে নিজের মতো করে বাঁচার একটি পরিসর।
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লক এক্সটেনশনে ৯২ কাঠা জমির ওপর গড়ে উঠছে জেসিএক্স গ্র্যান্ড রেসিডেন্সেস। প্রকল্পটির পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে খোলা জায়গা, আলো-বাতাস ও সবুজের উপস্থিতিকে। মোট জায়গার প্রায় ৬০ শতাংশই রাখা হয়েছে খোলা। লেকের পাশের অবস্থান সেই আবাসনে যোগ করেছে বাড়তি প্রশান্তি।সকালের শুরু হতে পারে সবুজের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে। দিনের ব্যস্ততা শেষে কেউ হয়তো কিছুক্ষণ কাটাবেন লেকের ধারে, কেউ সময় দেবেন জিম কিংবা সুইমিং পুলে। কোনো সন্ধ্যায় কমিউনিটি হলে একসঙ্গে হতে পারেন প্রতিবেশীরা। টেনিস কোর্ট, জগিং এরিয়া, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও বারবিকিউ স্পেস—এসব সুবিধা তাই শুধু একটি আবাসন প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধার তালিকা নয়। বরং এগুলো এমন একটি জীবনযাপনের অংশ, যেখানে নিজের অ্যাপার্টমেন্টের বাইরেও রয়েছে সময় কাটানোর নিজস্ব পরিসর।
আড়ও পড়ুন,অযৌক্তিক দামে ডিম বিক্রি নয় যৌক্তিক মুনাফার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর
আবাসনটির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর অবস্থান। আশপাশে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল ও হাসপাতাল। কাছেই বসুন্ধরা গলফ এরিনা। মসজিদ আল মুস্তাফা হাঁটা দূরত্বে থাকায় দৈনন্দিন ধর্মীয় জীবনেও পাওয়া যায় বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য।এ ছাড়া ১০০ ফিট মাদানী এভিনিউ ও ৩০০ ফিট সড়কের সংযোগ থাকায় গুলশান, বারিধারা ও বিমানবন্দরমুখী যাতায়াতও তুলনামূলক সহজ। অর্থাৎ ঘরে ফিরলে পাওয়া যাবে নিরিবিলি আবাসিক পরিবেশ, আবার প্রয়োজন হলে শহরের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোও থাকবে সহজ নাগালে।গ্র্যান্ড রেসিডেন্সেসের পরিকল্পনায় গুরুত্ব পেয়েছে কমিউনিটি জীবনও। একটি ভালো আবাসনের অভিজ্ঞতা শুধু নিজের দরজার ভেতরে সীমাবদ্ধ থাকে না। সকালে পরিচিত মুখের সঙ্গে দেখা হওয়া, অবসরে প্রতিবেশীর সঙ্গে কথা বলা কিংবা কোনো আয়োজনে সবাই একসঙ্গে হওয়া—এমন ছোট ছোট মুহূর্ত থেকেই তৈরি হয় একটি জায়গার সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক।প্রশস্ত অ্যাপার্টমেন্ট, ২৬০টির বেশি পার্কিং সুবিধা এবং প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের কথা মাথায় রেখে পরিকল্পিত আবাসন—সব মিলিয়ে জেসিএক্স গ্র্যান্ড রেসিডেন্সেসে বড় পরিসরের অর্থ শুধু বেশি জায়গা নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য, খোলা পরিবেশ এবং প্রতিদিনের জীবনে প্রকৃতির উপস্থিতি।
সব মিলিয়ে জেসিএক্স গ্র্যান্ড রেসিডেন্সেসকে শুধু একটি কনডোমিনিয়াম হিসেবে দেখলে গল্পটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এটি এমন একটি ঠিকানার ভাবনা, যেখানে শহর প্রয়োজনের দূরত্বে থাকবে, অথচ ঘরে ফিরলে অপেক্ষা করবে সবুজ, খোলা আকাশ, লেকের শান্ত আবহ আর একটি পরিচিত কমিউনিটি।সময় গড়ানোর সঙ্গে যেখানে শুধু একটি বাড়ি নয়, নিজের মতো করে একটি জীবনও গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।

আপনার মতামত লিখুন