রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা এবং মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সামছুল হুদার আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ইউনিয়নের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২৫৬ জন শিক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সামছুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হামিদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা নায়েবুজ্জামানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও জেসমিন আক্তার বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফল করলেই হবে না, ভালো মানুষ হিসেবেও নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। মাদক একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দিতে পারে।
আরও পড়ুন, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে মনোনয়ন জমার শেষ দিন আগামীকাল
তাই শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে এবং মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরিতে নিজেদেরও ভূমিকা রাখতে হবে। অভিভাবকদেরও সন্তানদের চলাফেরা ও বন্ধু নির্বাচনের বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী তাসফিয়া তাবাসসুম শানু বলেন, ভালো ফলাফলের জন্য নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষকদের পরামর্শ মেনে চলেছি। আজকের এই সংবর্ধনা আমাদের আরও উৎসাহিত করেছে। আমরা মাদক থেকে দূরে থেকে পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে ভবিষ্যতে দেশের জন্য কাজ করতে চাই।অভিভাবক সাহেব আলী বলেন, সন্তানদের ভালো ফলাফলে আমরা আনন্দিত। তবে শুধু ভালো ফলাফল নয়, তারা যেন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা। মাদক থেকে সন্তানদের দূরে রাখতে পরিবার ও সমাজের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মাদক তরুণ সমাজ ও পরিবারের জন্য বড় হুমকি। শিক্ষার্থী ও তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।পরে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বিষয় : শিক্ষার্থী মাদকবিরোধী আলোচনা সভা

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা এবং মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সামছুল হুদার আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ইউনিয়নের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২৫৬ জন শিক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সামছুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হামিদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা নায়েবুজ্জামানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও জেসমিন আক্তার বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফল করলেই হবে না, ভালো মানুষ হিসেবেও নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। মাদক একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দিতে পারে।
আরও পড়ুন, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে মনোনয়ন জমার শেষ দিন আগামীকাল
তাই শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে এবং মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরিতে নিজেদেরও ভূমিকা রাখতে হবে। অভিভাবকদেরও সন্তানদের চলাফেরা ও বন্ধু নির্বাচনের বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী তাসফিয়া তাবাসসুম শানু বলেন, ভালো ফলাফলের জন্য নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষকদের পরামর্শ মেনে চলেছি। আজকের এই সংবর্ধনা আমাদের আরও উৎসাহিত করেছে। আমরা মাদক থেকে দূরে থেকে পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে ভবিষ্যতে দেশের জন্য কাজ করতে চাই।অভিভাবক সাহেব আলী বলেন, সন্তানদের ভালো ফলাফলে আমরা আনন্দিত। তবে শুধু ভালো ফলাফল নয়, তারা যেন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা। মাদক থেকে সন্তানদের দূরে রাখতে পরিবার ও সমাজের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মাদক তরুণ সমাজ ও পরিবারের জন্য বড় হুমকি। শিক্ষার্থী ও তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।পরে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন