গোপালগঞ্জে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি ও শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ধারাবাহিকভাবে ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। সরকারের কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতির (জিপিএমএস) তিন বছর মেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিস এই আয়োজন করে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষকদের আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি, শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার ও শ্রেণীকক্ষ পরিচালনার ক্ষেত্রে আরও দক্ষ করে গড়ে তোলা। এ কার্যক্রমের শুরুতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: রুহুল আমীন জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা, শিক্ষার গুণগতমান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্তরিকতা ও নৈতিকতা সম্পর্কে আশাহত হন। পরবর্তীতে জেলা শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে জেলার প্রতিটি উপজেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়। এসব সভায় প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা, শিক্ষার গুণগতমান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মেন্টরিং কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়। ওই মতবিনিময় সভায় প্রতিষ্ঠান প্রধানরা সহকারী শিক্ষকদের জন্য ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৫ আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার গোপালগঞ্জের দশপল্লী নেছারউদ্দীন খান উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি ইন-হাউজ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এতে দশপল্লী নেছারউদ্দীন খান উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী নাদের আলী ছাদেক আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়, রঘুনাথপুর দীননাথ উচ্চ বিদ্যালয় এবং ডালনিয়া ইসমাইল আলেফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ অন্যান্য শিক্ষকরা অংশ নেন। এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: রুহুল আমীন বলেন,, শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা বা পরামর্শের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষকদের সরাসরি পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পরিবর্তিত বাস্তবতায় একজন শিক্ষককে আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি, প্রযুক্তি এবং শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিখন-শেখানোর কৌশলের সঙ্গে পরিচিত হওয়া জরুরি। সেই ভাবনা থেকেই মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১৪ টি ক্লাস্টারের অধীন শতাধিক শিক্ষক ইন-হাউস প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।
বিষয় : প্রশিক্ষণ উদ্যোগ শিক্ষকদের দক্ষতা

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গোপালগঞ্জে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি ও শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ধারাবাহিকভাবে ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। সরকারের কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতির (জিপিএমএস) তিন বছর মেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিস এই আয়োজন করে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষকদের আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি, শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার ও শ্রেণীকক্ষ পরিচালনার ক্ষেত্রে আরও দক্ষ করে গড়ে তোলা। এ কার্যক্রমের শুরুতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: রুহুল আমীন জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা, শিক্ষার গুণগতমান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্তরিকতা ও নৈতিকতা সম্পর্কে আশাহত হন। পরবর্তীতে জেলা শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে জেলার প্রতিটি উপজেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়। এসব সভায় প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা, শিক্ষার গুণগতমান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মেন্টরিং কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়। ওই মতবিনিময় সভায় প্রতিষ্ঠান প্রধানরা সহকারী শিক্ষকদের জন্য ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৫ আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার গোপালগঞ্জের দশপল্লী নেছারউদ্দীন খান উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি ইন-হাউজ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এতে দশপল্লী নেছারউদ্দীন খান উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী নাদের আলী ছাদেক আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়, রঘুনাথপুর দীননাথ উচ্চ বিদ্যালয় এবং ডালনিয়া ইসমাইল আলেফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ অন্যান্য শিক্ষকরা অংশ নেন। এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: রুহুল আমীন বলেন,, শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা বা পরামর্শের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষকদের সরাসরি পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পরিবর্তিত বাস্তবতায় একজন শিক্ষককে আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি, প্রযুক্তি এবং শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিখন-শেখানোর কৌশলের সঙ্গে পরিচিত হওয়া জরুরি। সেই ভাবনা থেকেই মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১৪ টি ক্লাস্টারের অধীন শতাধিক শিক্ষক ইন-হাউস প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন