মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার আসামি ও সন্দেহভাজনসহ মোট ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, সড়ক পরিবহন আইন, ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা, ওয়ারেন্টভুক্ত মামলা এবং জিএমপি অধ্যাদেশে দায়েরকৃত বিভিন্ন মামলার অভিযোগ রয়েছে। পরে তাদেরকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্ত্রাস বিরোধী মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারী এলাকার মো. তসলিম মিয়া (২৭) কে গ্রেফতার করা হয়।নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের যৌতুক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫০) ও মোছা. শরিফা আক্তার (৩২) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অপহরণ মামলার আসামি মো. সিরাজুল ইসলাম (৫৫) কে আটক করা হয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২ কেজি গাঁজাসহ এজাহারভুক্ত চার আসামি মো. জমির হোসেন (২৩),
আরও পড়ুন,গোয়ালপাড়ায় থেমে নেই এরশাদ-মমতাজে'র মাদকের হাট
মো. রুবেল (২৬), মো. শাকিব হোসেন (২৩) এবং মো. আমজাদ হোসেন (৪৮) কে গ্রেফতার করে পুলিশ।সড়ক পরিবহন আইনের মামলায় জামাল উদ্দিন ভূইয়া (৫০) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৬) নামের দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে তানিয়া খাতুন (২০) কে আটক করা হয়। এছাড়া জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. সাহিদ মিয়া (৩৭) এবং সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সাগরিকা খাতুন স্মৃতি (৩৭) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।অপরদিকে, জিএমপি অধ্যাদেশ প্রসিকিউশনের মামলায় মো. সুমন মিয়া (৩৮) ও মো. মাসুদ রানা (২৭) কে গ্রেফতার করা হয়।বাসন থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার আসামি ও সন্দেহভাজনসহ মোট ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, সড়ক পরিবহন আইন, ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা, ওয়ারেন্টভুক্ত মামলা এবং জিএমপি অধ্যাদেশে দায়েরকৃত বিভিন্ন মামলার অভিযোগ রয়েছে। পরে তাদেরকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্ত্রাস বিরোধী মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারী এলাকার মো. তসলিম মিয়া (২৭) কে গ্রেফতার করা হয়।নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের যৌতুক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫০) ও মোছা. শরিফা আক্তার (৩২) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অপহরণ মামলার আসামি মো. সিরাজুল ইসলাম (৫৫) কে আটক করা হয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২ কেজি গাঁজাসহ এজাহারভুক্ত চার আসামি মো. জমির হোসেন (২৩),
আরও পড়ুন,গোয়ালপাড়ায় থেমে নেই এরশাদ-মমতাজে'র মাদকের হাট
মো. রুবেল (২৬), মো. শাকিব হোসেন (২৩) এবং মো. আমজাদ হোসেন (৪৮) কে গ্রেফতার করে পুলিশ।সড়ক পরিবহন আইনের মামলায় জামাল উদ্দিন ভূইয়া (৫০) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৬) নামের দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে তানিয়া খাতুন (২০) কে আটক করা হয়। এছাড়া জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. সাহিদ মিয়া (৩৭) এবং সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সাগরিকা খাতুন স্মৃতি (৩৭) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।অপরদিকে, জিএমপি অধ্যাদেশ প্রসিকিউশনের মামলায় মো. সুমন মিয়া (৩৮) ও মো. মাসুদ রানা (২৭) কে গ্রেফতার করা হয়।বাসন থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন