পবিত্র মক্কা নগরীর কাছে হুতিদের একটি ড্রোন সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করার পর পাকিস্তান সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকরের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ।বুধবার জিও নিউজের একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তিন দেশের যেকোনো একটির ভৌগোলিক অখণ্ডতা বা সীমান্ত লঙ্ঘিত হলে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে চুক্তিতে। প্রয়োজন হলে পাকিস্তান নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে বলেও জানান তিনি।খাজা আসিফ বলেন, চুক্তির সামরিক ও প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে না। তবে পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলাদা কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই। মক্কা বা অন্য কোনো পবিত্র স্থান আক্রান্ত হলে তা রক্ষা করা পাকিস্তানের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন, ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার আশাবাদ ট্রাম্পের
এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই একটি হুতি ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়। সৌদি জোটের মুখপাত্র তুরকি আল-মালকি মক্কার নিরাপত্তাকে রেড লাইন হিসেবে উল্লেখ করেন।তবে মক্কা বা কোনো পবিত্র স্থানে হামলার লক্ষ্য থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতিরা। তাদের দাবি, সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিই তাদের অভিযানের লক্ষ্য।এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পবিত্র মক্কা নগরীর কাছে হুতিদের একটি ড্রোন সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করার পর পাকিস্তান সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকরের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ।বুধবার জিও নিউজের একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তিন দেশের যেকোনো একটির ভৌগোলিক অখণ্ডতা বা সীমান্ত লঙ্ঘিত হলে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে চুক্তিতে। প্রয়োজন হলে পাকিস্তান নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে বলেও জানান তিনি।খাজা আসিফ বলেন, চুক্তির সামরিক ও প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে না। তবে পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলাদা কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই। মক্কা বা অন্য কোনো পবিত্র স্থান আক্রান্ত হলে তা রক্ষা করা পাকিস্তানের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন, ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার আশাবাদ ট্রাম্পের
এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই একটি হুতি ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়। সৌদি জোটের মুখপাত্র তুরকি আল-মালকি মক্কার নিরাপত্তাকে রেড লাইন হিসেবে উল্লেখ করেন।তবে মক্কা বা কোনো পবিত্র স্থানে হামলার লক্ষ্য থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতিরা। তাদের দাবি, সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিই তাদের অভিযানের লক্ষ্য।এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন