সিলেটের জকিগঞ্জে নিজ বসতঘর থেকে মা ও চার বছর বয়সী মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের বুরহানপুর গ্রামের দাশপাড়ায় নিজ বাড়ির একটি কক্ষ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতরা হলেন—চম্পা রাণী দাস, বয়স ৩৫ বছর এবং তাঁর চার বছর বয়সী মেয়ে হৃদি দাস। চম্পা রাণী দাস শাহগলী বাজারের জুয়েলারি ব্যবসায়ী রতন দাসের স্ত্রী।স্বজনরা জানান, বাড়ির একটি কক্ষে মা ও মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। তবে কী কারণে তাদের এমন মৃত্যু হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানাতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা।
আরও পড়ুন, হিজলায় ৭ মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি ইয়াসিন মাতুব্বার গ্রেফতার
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নিশ্চিত নন স্বজনরা।জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক জানান, মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ঘটনাটি আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।একই পরিবারের মা ও শিশুকন্যার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিলেটের জকিগঞ্জে নিজ বসতঘর থেকে মা ও চার বছর বয়সী মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের বুরহানপুর গ্রামের দাশপাড়ায় নিজ বাড়ির একটি কক্ষ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতরা হলেন—চম্পা রাণী দাস, বয়স ৩৫ বছর এবং তাঁর চার বছর বয়সী মেয়ে হৃদি দাস। চম্পা রাণী দাস শাহগলী বাজারের জুয়েলারি ব্যবসায়ী রতন দাসের স্ত্রী।স্বজনরা জানান, বাড়ির একটি কক্ষে মা ও মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। তবে কী কারণে তাদের এমন মৃত্যু হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানাতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা।
আরও পড়ুন, হিজলায় ৭ মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি ইয়াসিন মাতুব্বার গ্রেফতার
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নিশ্চিত নন স্বজনরা।জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক জানান, মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ঘটনাটি আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।একই পরিবারের মা ও শিশুকন্যার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

আপনার মতামত লিখুন