অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাবের মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ।বুধবার খুলনায় র্যাব-৬ সদর দপ্তরে সুন্দরবনের জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ ও অস্ত্র উদ্ধার উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।র্যাব ডিজি বলেন, র্যাবের নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করছে। এরই মধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে এবং আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।অভিযানে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রাখা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাসও দেন র্যাব মহাপরিচালক।
আরও পড়ুন, প্রতিশোধ নয়, দেশের উন্নয়ন চান তারেক রহমান
এদিকে সুন্দরবনের জলদস্যুদের বিষয়ে র্যাব ডিজি জানান, এখন পর্যন্ত ৩১৮ জন জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৩০ জন আবার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ফিরে গেছে।তার মতে, সামাজিক চাপ, রাজনৈতিক কারণ, সচেতনতার অভাব, স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে অনীহা ও হয়রানির ভয়—এসব কারণে কেউ কেউ আবার অপরাধে জড়াচ্ছে। তবে ৩১৮ জনের তুলনায় ৩০ জনের ফিরে যাওয়ার হারকে খুব বেশি মনে করছেন না তিনি।সুন্দরবনে এখনো চার থেকে পাঁচটি জলদস্যু বাহিনী সক্রিয় রয়েছে বলেও জানান র্যাব ডিজি। তাদেরও স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।এর আগে মঙ্গলবার সুন্দরবনের পাঁচটি জলদস্যু বাহিনীর ৫৯ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় ৫৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৪১ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৪টি খালি কার্তুজ ও সাতটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়।সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন র্যাব মহাপরিচালক।
বিষয় : অস্ত্র উদ্ধার বিশেষ অভিযান র্যাব ডিজি

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাবের মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ।বুধবার খুলনায় র্যাব-৬ সদর দপ্তরে সুন্দরবনের জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ ও অস্ত্র উদ্ধার উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।র্যাব ডিজি বলেন, র্যাবের নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করছে। এরই মধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে এবং আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।অভিযানে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রাখা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাসও দেন র্যাব মহাপরিচালক।
আরও পড়ুন, প্রতিশোধ নয়, দেশের উন্নয়ন চান তারেক রহমান
এদিকে সুন্দরবনের জলদস্যুদের বিষয়ে র্যাব ডিজি জানান, এখন পর্যন্ত ৩১৮ জন জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৩০ জন আবার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ফিরে গেছে।তার মতে, সামাজিক চাপ, রাজনৈতিক কারণ, সচেতনতার অভাব, স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে অনীহা ও হয়রানির ভয়—এসব কারণে কেউ কেউ আবার অপরাধে জড়াচ্ছে। তবে ৩১৮ জনের তুলনায় ৩০ জনের ফিরে যাওয়ার হারকে খুব বেশি মনে করছেন না তিনি।সুন্দরবনে এখনো চার থেকে পাঁচটি জলদস্যু বাহিনী সক্রিয় রয়েছে বলেও জানান র্যাব ডিজি। তাদেরও স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।এর আগে মঙ্গলবার সুন্দরবনের পাঁচটি জলদস্যু বাহিনীর ৫৯ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় ৫৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৪১ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৪টি খালি কার্তুজ ও সাতটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়।সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন র্যাব মহাপরিচালক।

আপনার মতামত লিখুন