মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নতুন ‘জিরো কস্ট স্কিমে’ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত ১৭ হাজার ৭৭৭ জনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।সোমবার এ সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ।শুনানিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে একটি কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন দাখিল করে।
আরও পড়ুন.প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠক, আলোচনায় নতুন পে-স্কেল
প্রতিবেদনে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কিংবা কর্মী পাঠাতে ব্যর্থ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে নেওয়া প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থার তথ্যও জানানো হয়।রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানায়, নতুন উদ্যোগের আওতায় কোনো ধরনের খরচ ছাড়াই ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর ব্যবস্থা করছে সরকার।তবে আদালত বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে মালয়েশিয়ায় যেতে না পেরে ১৭ হাজার ৭৭৭ জন কর্মীকে আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাই নতুন ‘জিরো কস্ট স্কিমে’ কর্মী নির্বাচনের সময় এসব ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।একই সঙ্গে মামলাটি চার মাসের জন্য মুলতবি রেখেছেন আদালত। পাশাপাশি সরকারের পরবর্তী অগ্রগতি জানিয়ে আদালতে কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে রিট করা হয়। সেই রিটের ধারাবাহিক শুনানিতে বিভিন্ন সময়ে একাধিক নির্দেশনা দেন আদালত।নতুন নির্দেশনার ফলে মালয়েশিয়ায় যেতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো কর্মীর জন্য নতুন সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বিষয় : জিরো কস্ট ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নতুন ‘জিরো কস্ট স্কিমে’ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত ১৭ হাজার ৭৭৭ জনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।সোমবার এ সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ।শুনানিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে একটি কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন দাখিল করে।
আরও পড়ুন.প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠক, আলোচনায় নতুন পে-স্কেল
প্রতিবেদনে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কিংবা কর্মী পাঠাতে ব্যর্থ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে নেওয়া প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থার তথ্যও জানানো হয়।রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানায়, নতুন উদ্যোগের আওতায় কোনো ধরনের খরচ ছাড়াই ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর ব্যবস্থা করছে সরকার।তবে আদালত বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে মালয়েশিয়ায় যেতে না পেরে ১৭ হাজার ৭৭৭ জন কর্মীকে আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাই নতুন ‘জিরো কস্ট স্কিমে’ কর্মী নির্বাচনের সময় এসব ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।একই সঙ্গে মামলাটি চার মাসের জন্য মুলতবি রেখেছেন আদালত। পাশাপাশি সরকারের পরবর্তী অগ্রগতি জানিয়ে আদালতে কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে রিট করা হয়। সেই রিটের ধারাবাহিক শুনানিতে বিভিন্ন সময়ে একাধিক নির্দেশনা দেন আদালত।নতুন নির্দেশনার ফলে মালয়েশিয়ায় যেতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো কর্মীর জন্য নতুন সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন