নতুন বেতন কাঠামোর চূড়ান্ত প্রস্তাব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক চলছে।সোমবার বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। বিষয়টি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ।বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন এবং এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নতুন বেতন কাঠামো একসঙ্গে বাস্তবায়ন না করে ধাপে ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় এবং বাজেটের ওপর সম্ভাব্য প্রভাবও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।এর আগে সোমবার সকালে নতুন পে-স্কেল নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আরও পড়ুন, দেশে হামের উপসর্গে বাড়ছে মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ৬ জনের
সেখানে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান এবং সরকারের ওপর সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাবসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে অতিরিক্ত কী পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে এবং এর ফলে বাজেট ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।এর আগে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলে জানানো হয়েছিল।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হতে পারে। তবে আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় পুরো কাঠামো একসঙ্গে না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।
বিষয় : সচিবালয় নতুন বেতন নতুন পে-স্কেল

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
নতুন বেতন কাঠামোর চূড়ান্ত প্রস্তাব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক চলছে।সোমবার বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। বিষয়টি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ।বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন এবং এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নতুন বেতন কাঠামো একসঙ্গে বাস্তবায়ন না করে ধাপে ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় এবং বাজেটের ওপর সম্ভাব্য প্রভাবও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।এর আগে সোমবার সকালে নতুন পে-স্কেল নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আরও পড়ুন, দেশে হামের উপসর্গে বাড়ছে মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ৬ জনের
সেখানে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান এবং সরকারের ওপর সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাবসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে অতিরিক্ত কী পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে এবং এর ফলে বাজেট ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।এর আগে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলে জানানো হয়েছিল।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হতে পারে। তবে আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় পুরো কাঠামো একসঙ্গে না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

আপনার মতামত লিখুন