প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির অর্থের নতুন হার নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৩০০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাবেন। আর সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ২২৫ টাকা ও বছরে এককালীন ২২৫ টাকা করে পাবেন।রোববার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে বৃত্তির অর্থের হার ও বিভিন্ন শর্ত জানানো হয়েছে।চিঠি অনুযায়ী, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী তিন বছর এই হারে বৃত্তির অর্থ দেওয়া হবে। অর্থাৎ নতুন নির্ধারিত হার কার্যকর হবে ২০২৬ সালের শুরু থেকেই।তবে বৃত্তি অব্যাহত রাখতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, সদাচরণ এবং সন্তোষজনকভাবে পড়াশোনা করতে হবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে বৃত্তি স্থগিত বা বাতিল হতে পারে।
আরও পড়ুন, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে শি জিনপিংয়ের চীন সফরের আমন্ত্রণ
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ পাবেন। তবে সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি না হলে বৃত্তির অর্থ পাওয়ার যোগ্যতা থাকবে না।বৃত্তির অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। জিটুপি বা Government to Person পদ্ধতিতে ইএফটির মাধ্যমে টাকা বিতরণ করা হবে।এজন্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতাভুক্ত যেকোনো ব্যাংকে হিসাব খুলে প্রয়োজনীয় তথ্য বিদ্যালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে।এদিকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বৃত্তিপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বিল ফর্মে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষর নিয়ে সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ উত্তোলন করে বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী বৃত্তির সংখ্যা, অর্থের হার, মেয়াদসহ আদেশের যেকোনো শর্ত পরিবর্তন, সংশোধন বা বাতিল করতে পারবে।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির অর্থের নতুন হার নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৩০০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাবেন। আর সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ২২৫ টাকা ও বছরে এককালীন ২২৫ টাকা করে পাবেন।রোববার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে বৃত্তির অর্থের হার ও বিভিন্ন শর্ত জানানো হয়েছে।চিঠি অনুযায়ী, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী তিন বছর এই হারে বৃত্তির অর্থ দেওয়া হবে। অর্থাৎ নতুন নির্ধারিত হার কার্যকর হবে ২০২৬ সালের শুরু থেকেই।তবে বৃত্তি অব্যাহত রাখতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, সদাচরণ এবং সন্তোষজনকভাবে পড়াশোনা করতে হবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে বৃত্তি স্থগিত বা বাতিল হতে পারে।
আরও পড়ুন, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে শি জিনপিংয়ের চীন সফরের আমন্ত্রণ
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ পাবেন। তবে সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি না হলে বৃত্তির অর্থ পাওয়ার যোগ্যতা থাকবে না।বৃত্তির অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। জিটুপি বা Government to Person পদ্ধতিতে ইএফটির মাধ্যমে টাকা বিতরণ করা হবে।এজন্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতাভুক্ত যেকোনো ব্যাংকে হিসাব খুলে প্রয়োজনীয় তথ্য বিদ্যালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে।এদিকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বৃত্তিপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বিল ফর্মে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষর নিয়ে সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ উত্তোলন করে বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী বৃত্তির সংখ্যা, অর্থের হার, মেয়াদসহ আদেশের যেকোনো শর্ত পরিবর্তন, সংশোধন বা বাতিল করতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন