গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ২৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার ৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু অপহরণ, ডাকাতির প্রস্তুতি (ছিনতাই) এবং ধর্ষণ মামলার অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নারী ও শিশু অপহরণ মামলার আসামি হিসেবে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর থানার রোনগর গ্রামের বাসিন্দা মোসা. রোকাইয়া (২৬), মো. রোকন হোসেন (৪০) এবং আন্না বেগম (৪০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।এছাড়া ডাকাতির প্রস্তুতি (ছিনতাই) মামলার আসামি মো. হৃদয় মিয়া (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, সেনাবাহিনীর উদ্যোগে খাগড়াছড়িতে বিনামূল্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ শুরু
তিনি নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা থানার শ্রীপুর এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানার দিঘিরচালা এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।অন্যদিকে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. শফিউল আলম (৩০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার চন্ডিমারী এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।বাসন থানা পুলিশ জানায়, বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও এজাহারনামীয় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ৫ জন আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ২৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার ৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু অপহরণ, ডাকাতির প্রস্তুতি (ছিনতাই) এবং ধর্ষণ মামলার অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নারী ও শিশু অপহরণ মামলার আসামি হিসেবে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর থানার রোনগর গ্রামের বাসিন্দা মোসা. রোকাইয়া (২৬), মো. রোকন হোসেন (৪০) এবং আন্না বেগম (৪০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।এছাড়া ডাকাতির প্রস্তুতি (ছিনতাই) মামলার আসামি মো. হৃদয় মিয়া (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, সেনাবাহিনীর উদ্যোগে খাগড়াছড়িতে বিনামূল্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ শুরু
তিনি নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা থানার শ্রীপুর এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানার দিঘিরচালা এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।অন্যদিকে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. শফিউল আলম (৩০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার চন্ডিমারী এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।বাসন থানা পুলিশ জানায়, বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও এজাহারনামীয় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ৫ জন আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন