জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ছয় মাসের সময়সীমাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা দেওয়ার জন্য ছয় মাসের সময়সীমা দিয়ে চ্যালেঞ্জ করেছেন। সেই চ্যালেঞ্জ তারা গ্রহণ করেছেন এবং সংকট সমাধানে পরিকল্পনাও প্রস্তাব করছেন।হাসনাতের দাবি, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এরই মধ্যে ৩০ দিন, ৬ থেকে ১৮ মাস এবং দীর্ঘমেয়াদি—এই তিন পর্যায়ে মোট ১৫ দফা সমাধান প্রস্তাব দিয়েছেন।তিনি বলেন, এসব প্রস্তাবে ভর্তুকি নীতি, ফুয়েল প্ল্যান, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনার মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আরও পড়ুন, বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে চার জ্যেষ্ঠ নেতা, রিজভী-আমানসহ নতুন সদস্য মনোনীত
সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ৬২ জনের টিম থাকার পরও বিরোধী দলের প্রস্তাব সরকারের কাছে পৌঁছায়নি—এমন দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর টিমের সক্ষমতা ও যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন হাসনাত।বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ‘মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫’ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তিনি। তার দাবি, এ নীতির মাধ্যমে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীরা বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছে সরাসরি বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবে।মহেশখালীর এফএসআরইউতে অগ্নিকাণ্ডের পর রক্ষণাবেক্ষণে কোনো ত্রুটি ছিল কি না, তা নিয়েও স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।হাসনাত বলেন, ছয় মাসের হিসাব তারা মেনে নিয়েছেন, তবে এই সময়ের ঘড়ি বিরোধী দলের নয়, সরকারের। তার ভাষায়, ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে—দেশ অন্ধকারে ছিল সমাধানের অভাবে, নাকি ক্ষমতার অভাবে।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ছয় মাসের সময়সীমাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা দেওয়ার জন্য ছয় মাসের সময়সীমা দিয়ে চ্যালেঞ্জ করেছেন। সেই চ্যালেঞ্জ তারা গ্রহণ করেছেন এবং সংকট সমাধানে পরিকল্পনাও প্রস্তাব করছেন।হাসনাতের দাবি, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এরই মধ্যে ৩০ দিন, ৬ থেকে ১৮ মাস এবং দীর্ঘমেয়াদি—এই তিন পর্যায়ে মোট ১৫ দফা সমাধান প্রস্তাব দিয়েছেন।তিনি বলেন, এসব প্রস্তাবে ভর্তুকি নীতি, ফুয়েল প্ল্যান, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনার মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আরও পড়ুন, বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে চার জ্যেষ্ঠ নেতা, রিজভী-আমানসহ নতুন সদস্য মনোনীত
সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ৬২ জনের টিম থাকার পরও বিরোধী দলের প্রস্তাব সরকারের কাছে পৌঁছায়নি—এমন দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর টিমের সক্ষমতা ও যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন হাসনাত।বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ‘মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫’ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তিনি। তার দাবি, এ নীতির মাধ্যমে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীরা বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছে সরাসরি বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবে।মহেশখালীর এফএসআরইউতে অগ্নিকাণ্ডের পর রক্ষণাবেক্ষণে কোনো ত্রুটি ছিল কি না, তা নিয়েও স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।হাসনাত বলেন, ছয় মাসের হিসাব তারা মেনে নিয়েছেন, তবে এই সময়ের ঘড়ি বিরোধী দলের নয়, সরকারের। তার ভাষায়, ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে—দেশ অন্ধকারে ছিল সমাধানের অভাবে, নাকি ক্ষমতার অভাবে।

আপনার মতামত লিখুন